NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম

হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের’ নামে ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলার তৃতীয় আসামি হলেন- বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।

এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়। দলিল অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ট্রাস্টটির আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টটির নামে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।

 

 

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও তা ‘বিবিধ’ আলোচনায় উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয় এবং ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ সংগ্রহ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন। এর মাধ্যমে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা ঘটনাকাল ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।