NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমিশা প্যাটেল কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’
Logo
logo

কেন নিষিদ্ধ হয়েছিল সালমান শাহকে নিয়ে লেখা বইটি?


খবর   প্রকাশিত:  ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ এএম

কেন নিষিদ্ধ হয়েছিল সালমান শাহকে নিয়ে লেখা বইটি?

সালমান শাহ, বাংলা চলচ্চিত্রের এমন এক নায়ক, যাঁকে ঘিরে দর্শক-ভক্তদের আবেগ আজও অটুট। ১৯৯৬ সালে তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর পর কেটে গেছে প্রায় তিন দশক।

কিন্তু তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক এখনো থামেনি। 

 

বরং সময়ের সঙ্গে সেই রহস্য আরো ঘনীভূত হয়েছে। আর এই আলোচনায় একসময় নতুন মাত্রা যোগ করেছিল একটি বই, যা প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই নিষিদ্ধ হয়ে যায়।

বইটির নাম ‘সালমান শাহ, নক্ষত্রের আত্মহত্যা’।

সাংবাদিক রবি আরমানের লেখা বইটি ১৯৯৭ সালে প্রকাশের পরপরই আলোচনায় আসে। বইটিতে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। আর এই বিষয়টিই বইটির বিরুদ্ধে আপত্তির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

 

তিনি পূর্ণিমা ম্যাগাজিনের প্রধান প্রতিবেদক ছিলেন। ২০০৯ সালের শেষদিকে এই সাংবাদিক মারা যান। , পড়েছেন কি বইটি?, ইউটিউব লিংকঃ ..." src="https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcSTwfIXgmsrpY4LGOCDyAMATyxMkKVZXfdpslf5VgCkqORzZ1aVOW_EJH3Z&s=10" />

 

বইটি প্রকাশের পর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানান। তাঁর অভিযোগ ছিল, বইটিতে সালমানের মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে তিনি লেখক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

 

পরে আদালত বইটির বিক্রি ও বিতরণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বাজার থেকে বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। ফলে প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই বইটি পরিণত হয় একটি নিষিদ্ধ ও দুর্লভ গ্রন্থে।

তৎকালীন এক সিনিয়র বিনোদন সাংবাদিকের ভাষ্য অনুযায়ী, বইটিতে সালমান শাহর মৃত্যুর ক্ষেত্রে ‘আত্মহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করাই তাঁর পরিবারের ক্ষোভের বড় কারণ ছিল। কারণ সালমানের মা নীলা চৌধুরী বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

শুধু মৃত্যুর প্রসঙ্গই নয়, বইটির প্রচ্ছদের পেছনের বর্ণনাতেও সালমান শাহকে ঘিরে ছিল আবেগ ও বিষাদের আবহ। সেখানে বাংলা চলচ্চিত্রের বাগানে ফুটে ওঠা এক উজ্জ্বল ফুলের সঙ্গে তাঁকে তুলনা করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তাঁর অকালমৃত্যুকে ঘিরে রহস্য ও বিষাদের কথাও তুলে ধরা হয়।

বইটির প্রচারে বলা হয়েছিল, সালমান শাহর জীবনের নানা গোপন অধ্যায় এবং ঢাকাই সিনেমার সেই সময়ের বিভিন্ন ঘটনা এতে উঠে এসেছে। ফলে প্রকাশের পর থেকেই বইটি নিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমী ও পাঠকদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ।

তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে বইটির স্বাভাবিক বাজারজাতকরণ আর সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর কপি দুর্লভ হয়ে ওঠে। সালমান শাহর মৃত্যুকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ ও নানা প্রশ্নের কারণে বইটি নিয়েও কৌতূহল টিকে থাকে।

সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও সেই ঘটনার নানা দিক নিয়ে আলোচনা রয়েছে। আর সেই আলোচনার ইতিহাসে ‘সালমান শাহ, নক্ষত্রের আত্মহত্যা’ বইটি আজও একটি বিতর্কিত অধ্যায় হয়ে আছে।