NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬ | ২ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ শেষের পথে যুদ্ধবিরতি, ফের কি সংঘাতে জড়াবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান? হামাস নেতাদের সঙ্গে কেন গোপন বৈঠকে ট্রাম্পের জামাতা ম্যানচেস্টার সিটিকে গুঁড়িয়ে মৌসুমের প্রথম শিরোপা জিতল আর্সেনাল কলকাতার রাজপথে মিছিলে নেমে তোপের মুখে জয়া জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন : প্রধানমন্ত্রী কিমের সঙ্গে পুরনো ছবি শেয়ার করে ‘চমৎকার সম্পর্কের’ দাবি ট্রাম্পের প্রথম দিনেই ‘আওয়ারাপন ২’ ঝড়, আসছে তৃতীয় কিস্তি? আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
Logo
logo

অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী

শিশু স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার লক্ষ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর রাজশাহী বিভাগ ও কুমিল্লা জেলায় পাঁচটি ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু করেছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসেই একযোগে এ হাসপাতালগুলো উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নতুন ৫০০ শয্যার ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন ভবনের শুভ সূচনা করেন।

 


 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া।

সময়ের প্রয়োজনে আরো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি এখন আকার ও আয়তনে আরো বড় হয়েছে।

 


 

বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যকে শুধু একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে নয়, একটি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতির চাবিকাঠি হিসেবেও দেখছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগী যাতে চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে বাধ্য না হন, সে জন্য ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে।