NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমিশা প্যাটেল কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প-মেলানিয়ার সংসারে ‘পরকীয়ার’ গুঞ্জন আরো তীব্র হলো কী বার্তা নিয়ে মস্কো গেলেন ট্রাম্পের দূতরা ‘আমার খেলার মানের কাছাকাছিও নেই’—এনজোকে নিয়ে ব্রুইনার কড়া মন্তব্য ভেনিসে প্রশংসিত প্যাটিনসনের ‘প্রাইমটাইম’
Logo
logo

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ এএম

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে।

এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২, বান্দরবানে দুই ও খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

 


 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষকে জরুরি আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে এরই মধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিক্যাল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ জন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

 


 

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকির জন্য একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।’