কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে রোগীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গেছে। কঙ্গোর যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯০৪ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খবর প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ১০:০৫ এএম

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে রোগীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গেছে। কঙ্গোর যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯০৪ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলেও কঙ্গো কর্তৃপক্ষ এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে চরম হিমশিম খাচ্ছে। এর বড় কারণ হলো স্থানীয় জনগণের ক্ষোভ ও সহিংসতা। গত সপ্তাহে দেশটির পূর্বাঞ্চলের দুইটি শহরে ইবোলা চিকিৎসা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
ইবোলা প্রাদুর্ভাবের মূল কেন্দ্রস্থল হলো কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশ। এই অঞ্চলটি এখনো সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেখানে ইসলামিক স্টেট এবং রুয়ান্ডা-সমর্থিত ‘এম২৩’ এর মতো একাধিক শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কারণে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা চলছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রসহ ধনী দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সাহায্য কমিয়ে দেওয়া কঙ্গোর জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এর ফলে কঙ্গোর মহামারি শনাক্ত ও মোকাবিলা করার সক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়া এই নির্দিষ্ট ‘বান্দিবুগিও’ ধরনের ইবোলা ভাইরাসের কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শোকসভা ও ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান