NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ মে, ২০২৬, ০৯:০৫ এএম

পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের দ্বিতীয়বারের মতো তেহরান সফরকে আঞ্চলিক কূটনীতিতে অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে এই সফরে ইরান-পাকিস্তান সম্পর্কের বাইরেও চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতা আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।

 

সফরকালে তিনি দুই দফা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়াও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে।

বার্তা সংস্থা আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়, তবে এই সফর মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এই জলপথ তাদের জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এখন এটি ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে দেশটি কার্যত নিজেদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে। ইতোমধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সমন্বয়ে কয়েকটি জাহাজ ওই পথ অতিক্রম করেছে বলেও জানা গেছে।

 

তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না হলেও, ইরান ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালির ওপর বাস্তব নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইরান বর্তমানে পাকিস্তান ও কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো এবং সম্ভাব্য সমঝোতার পথ খোঁজা। এসব আলোচনায় যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।