NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

হামের চিকিৎসায় সরকারের গাফিলতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ মে, ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম

হামের চিকিৎসায় সরকারের গাফিলতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের চিকিৎসায় সরকারের কোনো গাফিলতি নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, গ্যাভি, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, বিশ্বের ইতিহাসে এত কম সময়ে এত বড় জনগোষ্ঠীর জন্য এত দ্রুত বিপুল পরিমাণ টিকা আর কোনো দেশ সংগ্রহ করতে পারেনি, যা বাংলাদেশ করেছে।

শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার একটি ভেন্টিলেটরও রেখে যায়নি, এমনকি হাম (মিজলস) প্রতিরোধের টিকাও মজুত ছিল না। বর্তমান সরকার শূন্য হাত থেকেই কাজ শুরু করেছে। এখন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আরও ১০টি জেলায় নতুন আইসিইউ ইউনিট চালু করা হবে। প্রতিটি জেলায় ১২টি করে ভেন্টিলেটর এবং ১২টি করে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে গুরুতর রোগীদের আরও দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, আইসিডিডিআরবি’র চিকিৎসক ডা. তাহমিদ শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার জন্য নতুন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই পদ্ধতিতে ফুসফুস ঠিকভাবে কাজ না করলে অক্সিজেন সরবরাহে সহায়তা করা যায়। সেটিও শিশুদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

হাম আক্রান্তদের দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিকিৎসাই দেওয়া হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার বড় কারণ পুষ্টির অভাব। শিশুদের বছরে দুইবার ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়ার কথা থাকলেও ২০২৪ সালের শেষে মাত্র একবার দেওয়া হয়েছে। আর ২০২৫ সালে কোনো ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনই হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ জুনের মধ্যে ইউনিসেফ থেকে প্রচুর ভিটামিন এ পাওয়া যাবে। এরপর দেশজুড়ে ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন চালানো হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মায়েদের পুষ্টিহীনতা, শিশুদের পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়া এবং বুকের দুধ কম খাওয়ানোর কারণে অনেক শিশু ঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না। বিশেষ করে সিজারিয়ান অপারেশনের পর অনেক মা নবজাতককে দ্রুত বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন না। এসব কারণেই শিশুদের মধ্যে হাম বেশি আক্রমণ করছে।