NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস


খবর   প্রকাশিত:  ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০৪ এএম

না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

চলে গেলেন জনপ্রিয় ফরাসি-মরক্কো অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। প্রায় এক সপ্তাহ কোমায় থাকার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

 

নাদিয়ার দুই কন্যা সিলিয়া ও শানা চ্যাসম্যান এক বিবৃতিতে তাদের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ফ্রান্স একজন মহান শিল্পীকে হারাল, আর আমরা হারালাম আমাদের মাকে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লে ফিগারো’র তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ এপ্রিল প্যারিসের একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সুইমিংপুলে নাদিয়াকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। একজন সহসাঁতারু তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা (সিপিআর) দেন।

এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে ‘মেডিক্যাল কোমা’য় রাখেন। সেখানেই শুক্রবার তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

 

মায়ের মৃত্যুতে বড় মেয়ে সিলিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেগঘন এক বার্তা দিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, জীবন যে রাতারাতি কতটা বদলে যেতে পারে, তুমি আমাকে তা শিখিয়ে দিয়ে গেলে। তুমি আমাদের জন্য লড়াই করেছ, তোমাকে ধন্যবাদ।

 

১৯৬৮ সালে মরক্কোর মারাকেশে জন্ম নেওয়া নাদিয়া বড় হয়েছেন ফ্রান্সের নিস শহরে। ১৯৯২ সালে ‘মাই ওয়াইফস গার্লফ্রেন্ডস’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক হয়। তবে ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া পুলিশ থ্রিলার ‘দ্য ক্রিমসন রিভার্স’ তাকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি এনে দেয়।

২০০৯ সালে স্বামী ও প্রযোজক স্টিভ চ্যাসম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার পর তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে নেটফ্লিক্সের ‘মার্সেই’ সিরিজের মাধ্যমে আবারও অভিনয়ে ফেরেন এই গুণী শিল্পী। ২০২২ সালে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি পাকাপাকিভাবে ফ্রান্সে ফিরে এসেছিলেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে ফরাসি চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।