NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

মার্কিন দ্বিতীয় পাইলটকে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইরান, পুরস্কার ঘোষণা


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

মার্কিন দ্বিতীয় পাইলটকে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইরান, পুরস্কার ঘোষণা

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের দুই ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন বাহিনী যখন নিখোঁজ দুই সদস্যকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে, তখন ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যদি কেউ জীবিত মার্কিন পাইলটকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেন, তবে তাঁকে পুরস্কৃত করা হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’-এর এক উপস্থাপক দর্শকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘শত্রুপক্ষের কোনো পাইলটকে জীবিত আটক করে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দিলে মূল্যবান পুরস্কার দেওয়া হবে।’ একই সঙ্গে দেশটির সংবাদ সংস্থা ‘ইরানিয়ান স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সি’-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কোহগিলুয়ে ও বয়ার-আহমদ প্রদেশের গভর্নর ঘোষণা দিয়েছেন, ‘অপরাধী মার্কিন পাইলটকে হস্তান্তর করলে ১০ বিলিয়ন তুমান (প্রায় ৭৬ হাজার ডলার) পুরস্কার দেওয়া হবে।

 

এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীও ইতিমধ্যে ব্যাপক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই ক্রুর মধ্যে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি মার্কিন হেফাজতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে দ্বিতীয় সদস্যের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। তাঁকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন যুদ্ধবিমানটি ছিল ‘এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল’ মডেলের। এটি আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে স্থলভাগে হামলা চালাতে সক্ষম। এই ধরনের বিমানে সাধারণত একজন পাইলট এবং একজন অস্ত্র পরিচালনাকারী কর্মকর্তা থাকেন।

সাবেক মার্কিন মেরিন ফাইটার পাইলট অ্যামি ম্যাকগ্রাথ জানিয়েছেন, যুদ্ধবিমান চালকদের বিশেষ ‘সারভাইভাল ট্রেনিং’ দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা দুর্ঘটনার পর বেঁচে থাকলে কীভাবে উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘বিমানের বাইরে বের হয়ে আসা শরীরের জন্য খুবই সহিংস অভিজ্ঞতা, কিন্তু জীবিত থাকলে উদ্ধার পাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ কাজে লাগে।’

 

তবে ইরানের মতো বিশাল এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এলাকায় অবতরণ করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। স্থানীয় জনগণ সহায়তা করবে, নাকি বিরূপ আচরণ করবে; বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তাই নিখোঁজ ক্রু সদস্যের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।