NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করল ইসরায়েল


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ এএম

ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করল ইসরায়েল

‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার একটি আইন পাস করেছে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট (নেসেট) । এই আইনের জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

সোমবার পাস হওয়া এই আইনে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য দুটি আলাদা পথ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই আইনের ফলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের যেসব ফিলিস্তিনির সামরিক আদালতে বিচার হয়, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডই পূর্বনির্ধারিত শাস্তি।

 

ফিলিস্তিনি পরিচালিত আইনি সংস্থা আদালাহর লিগ্যাল ডিরেক্টর সুহাদ বিশারা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই আইন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র-সমর্থিত ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে, যারা কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি করে না।’

তিনি বলেন, “এই আইনটি পরিকল্পিতভাবে শুধু ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করছে, যা সমতা ও বর্ণবৈষম্যবিরোধী মৌলিক নীতির লঙ্ঘন। এই আইনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পরিকল্পনা করেছে আদালাহ।

ইসরায়েলের আরেকটি প্রধান মানবাধিকার সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর সিভিল রাইটস ইন ইসরায়েল’ও এই আইনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে।”

 

সংগঠনটি বলেছে, প্রথমত পশ্চিম তীরের জন্য আইন প্রণয়নের কোনো এখতিয়ার নেসেটের নেই। সেখানে ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। দ্বিতীয়ত এই আইনটি অসাংবিধানিক।

এটি মানবাধিকার, মানব মর্যাদা, ন্যায্য বিচার এবং সমতার অধিকার লঙ্ঘন করে—যা ইসরায়েলের মৌলিক আইনে সুরক্ষিত।

 

আইনটি পশ্চিম তীরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে কার্যত একটি অন্ধকার পরিস্থিতি তৈরি করবে। এতে গোপনে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ডের তালিকায় থাকা বন্দিদের প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখার বিধান রয়েছে।

আইনে বলা হয়েছে, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ দোষী সাব্যস্তদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। এর ফলে ইসরায়েলি নাগরিকরা একই ধরনের অপরাধে দোষী হলেও কার্যত এর বাইরে থেকে যেতে পারে।

 

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলের জনগণের ওপর কোনো দখলদার শক্তি সাধারণত নিজের অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগ করতে পারে না। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে জর্ডানের কাছ থেকে পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসরায়েল, এবং আন্তর্জাতিক আইনে অঞ্চলটি অধিকৃত হিসেবেই বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেসেটের এই পদক্ষেপ পশ্চিম তীরকে কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একীভূত (ডি ফ্যাক্টো সংযুক্তিকরণ) করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।