NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ট্রাম্পের দ্বিমুখী বার্তা: ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকির পরও চুক্তির আশা


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ এএম

ট্রাম্পের দ্বিমুখী বার্তা: ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকির পরও চুক্তির আশা

তেলের দাম বাড়ায় ট্রাম্প ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের কথা বিবেচনা করছেন। ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেন। 

সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি খার্গ দ্বীপসহ ইরানের তেল অবকাঠামো দখলের বিষয়টি বিবেচনা করবেন। পাশাপাশি তিনি এও ইঙ্গিত দিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানো এখনও সম্ভব।

ইরানের তেল অবকাঠামো নিয়ে মন্তব্য করলেও ট্রাম্প চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে জানান, পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘খুব দ্রুতই একটি চুক্তি হতে পারে।’

 

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, খার্গ দ্বীপ দখলের সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরানের তেল দখল করা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বোকা লোক বলে, আপনি এটা কেন করছেন? তারা বোকা লোক।

 

তিনি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করার সম্ভাবনাও তুলে ধরেন বলেন, ‘হয়তো আমরা খার্গ দ্বীপ দখল করব, হয়তো করব না। আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।’ ট্রাম্প আরো জানান, এই ধরনের পদক্ষেপের জন্য সম্ভবত একটি দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন উপস্থিতি প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, ‘এর অর্থ হবে আমাদের সেখানে (খার্গ দ্বীপে) কিছু সময়ের জন্য থাকতে হবে।

’ 

 

ট্রাম্পের বিশ্বাস দ্বীপটিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তাদের কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে। আমরা খুব সহজেই এটি দখল করতে পারি।’ আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির উদ্বেগের মধ্যে ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে এবং অতিরিক্ত তিন হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন করেছে। এমন সময়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করলেন।