NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ইরানে দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিহত


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ এএম

ইরানে দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিহত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত ১৫তম দিনে গড়িয়েছে। তবে এর মধ্যে ইরানের বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২০০ জনের বেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি।

 

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হয়েছে। এ ছাড়া হামলায় ১২০টি স্কুল গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেন, ‘রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক আজাদী টাওয়ারেও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

এর আগে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থায় ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় এখন পর্যন্ত ২০৬ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত এবং ১৬১ জন আহত হয়েছে।

 

 

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বলছে জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার ৯১৪টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ১৭৯টি বাণিজ্যিক স্থাপনা এবং ৩৬ হাজার ৪৮৯টি আবাসিক ভবন। শুধু তেহরানেই প্রায় ১০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশজুড়ে অন্তত ১৬০টি চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও জরুরি সেবা কেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এদিকে ইরানের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।