NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ইরানে ব্রিটিশ দম্পতির ১০ বছরে কারাদণ্ড, যুক্তরাজ্যের ক্ষোভ


খবর   প্রকাশিত:  ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

ইরানে ব্রিটিশ দম্পতির ১০ বছরে কারাদণ্ড, যুক্তরাজ্যের ক্ষোভ

ইরানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক রয়েছে এক ব্রিটিশ দম্পতি। এ অভিযোগে তাদের বৃহস্পতিবার ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে তাদের পরিবার জানিয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য সরকার।

পরিবার জানিয়েছে, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের ক্রেগ ও ফোরম্যান মোটরসাইকেলে করে বিশ্বভ্রমণকালে ইরানে গ্রেপ্তার হন।

তারা তেহরানের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

 

ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানে আটক হওয়া পশ্চিমাদের সর্বশেষ উদাহরণ এ দম্পতি। তেহরানের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের জন্য তথাকথিত ‘জিম্মি কূটনীতি’ চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন এই অঞ্চলে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছেন এবং আবারও ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি দেশটিতে হামলা চালাতে পারেন।

ঠিক সে সময় দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই এই সাজা ঘোষণার খবর এলো। 

 

পরিবার জানিয়েছে, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া ছাড়াই আদালত গত অক্টোবরে মাত্র তিন ঘণ্টার শুনানির পর এই সাজা দেয়। 

তাদের ছেলে জো বেনেট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তারা শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সমর্থন করার মতো কোনো প্রমাণ আমরা দেখিনি।

 

বেনেট এএফপিকে আরো বলেন, ‘সাজা ঘোষণার খবর প্রথম শোনার পর তিনি ভীষণ হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। এটা ছিল দুঃখ, হতাশা, রাগ, অবিশ্বাস ও আবেগের একটি বিশাল সমাহার, যা ছিলো অপ্রতিরোধ্য।’

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এই রায়কে ‘খুবই জঘন্য ও পুরোপুরি অযৌক্তিক’ বলে আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।