NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধি করা দরকার : স্টারমার


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০২ এএম

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধি করা দরকার : স্টারমার

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা ব্যয় আরো বাড়ানো এবং তা দ্রুত কার্যকর করা উচিত বলে সোমবার মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সরকারের অর্থনীতির ৩ শতাংশ প্রতিরক্ষায় ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে—এমন এক প্রতিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন।

রাশিয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কবার্তা দেওয়া ব্রিটেন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে বার্ষিক প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে এবং ২০২৯ সালে নির্ধারিত নির্বাচনের পর শুরু হতে যাওয়া পরবর্তী পার্লামেন্টে তা ৩ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য রাখা হবে।

বিবিসি জানিয়েছে, সরকার এখন ২০২৯ সালের মধ্যেই ৩ শতাংশ লক্ষ্যে পৌঁছনোর উপায় খুঁজছে।

যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে বর্তমান পরিকল্পনা বাড়তে থাকা প্রতিরক্ষা ব্যয় সামাল দিতে যথেষ্ট নয়—এমন উপলব্ধি সরকারের রয়েছে।

 

২০২৯ সালের মধ্যে লক্ষ্য এগিয়ে আনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্টারমার মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ এবং সামরিক প্রস্তুতি জোরদারে ইউরোপ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

স্টারমার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের আরো এগোতে হবে।

প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ক্ষেত্রে আমাদের দ্রুততর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে অঙ্গীকার করেছি, তবে বিষয়টি শুধু কত অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।’

 

সর্বশেষ ন্যাটোর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ব্রিটেন জিডিপির ২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রতিরক্ষায় ব্যয় করেছে, যা জোটের নির্ধারিত ২ শতাংশ নির্দেশিকার চেয়ে বেশি। তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মহাদেশের নিরাপত্তা জোরদারে আরো বেশি ব্যয়ের চাপের মুখে রয়েছে ব্রিটেন।

 

উচ্চ ঋণ এবং ব্যয়সংকটে থাকা সরকার গত বছর প্রতিরক্ষা ব্যয় ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার অর্থ জোগাতে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাজেট কমিয়েছে। তবে ব্যয়ের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি, যা প্রতিরক্ষা শিল্পখাতের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

ব্রিটেনের বাজেট তদারকি সংস্থা অফিস ফর বাজেট রেস্পনসিবিলিটি গত বছর জানিয়েছিল, জিডিপির ৩ শতাংশ প্রতিরক্ষায় ব্যয় করতে হলে ২০২৯-৩০ অর্থবছরে বছরে অতিরিক্ত ১৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ড (২৪ বিলিয়ন ডলার) প্রয়োজন হবে।

অর্থমন্ত্রী রাচলে রীভিস সরকারি অর্থব্যবস্থা পুনর্গঠনের পরিকল্পনায় নির্ধারিত লক্ষ্যে স্থির থাকতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিবিসি জানিয়েছে, নতুন প্রতিরক্ষা ব্যয় প্রস্তাব নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

সরকারের এক মুখপাত্র সংশোধিত কোনো পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘শীতল যুদ্ধের পর থেকে প্রতিরক্ষা ব্যয়ে সর্ববৃহৎ ধারাবাহিক বৃদ্ধি বাস্তবায়ন করছে ব্রিটেন।’