NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

গাদ্দাফির সবচেয়ে ‘প্রভাবশালী ছেলে’ সাইফের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১০:০২ এএম

গাদ্দাফির সবচেয়ে ‘প্রভাবশালী ছেলে’ সাইফের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম লিবিয়ান নিউজ এজেন্সি। তার রাজনৈতিক দলের প্রধান মঙ্গলবার এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলামকে একসময় বাবার উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হতো।

তার আইনজীবী ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, জিনতান শহরে তার বাড়িতে ‘চার সদস্যের একটি কমান্ডো ইউনিট’ এই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।

তবে হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সাইফ আল-ইসলামের বোন লিবিয়ান টেলিভিশনকে জানান, আলজেরিয়া সীমান্তের কাছে তিনি মারা গেছেন। 

 

সাইফের কাছের দুই পক্ষের দুই ধরণের বিবৃতি তার মৃত্যুকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে। 

১৯৭২ সালে জন্ম নেওয়া সাইফ আল-ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বাবার পর লিবিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত ছিলেন।

২০০০ সালের পর পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার উদ্যোগেই লিবিয়া পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগে সম্মত হয় এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ তৈরি হয়।

 

২০১১ সালে গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার অভিযোগে সাইফ আল-ইসলামকে জিনতানের একটি মিলিশিয়া প্রায় ছয় বছর আটক করে রাখে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে চেয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।

 

২০১৫ সালে ত্রিপোলির একটি আদালত তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। তবে দুই বছর পর পূর্বাঞ্চলীয় শহর তোবরুকের একটি মিলিশিয়া সাধারণ ক্ষমা আইনের আওতায় তাকে মুক্তি দেয়।

গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া বিভিন্ন মিলিশিয়া নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে বিভক্ত এবং বর্তমানে দেশটিতে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার বিদ্যমান।

যদিও সাইফ আল-ইসলাম বারবার বলতেন, তিনি বাবার ক্ষমতার উত্তরাধিকারী হতে চান না এবং ক্ষমতাকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া কোনো খামার’ বলে মনে করেন না। তবুও ২০২১ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।

কিন্তু সেই নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায়।