NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

মার্কিন হুমকির মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাবে ইউরোপীয় দেশগুলো


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

মার্কিন হুমকির মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাবে ইউরোপীয় দেশগুলো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে দখলের হুমকি দেওয়ায় কয়েকটি ন্যাটো দেশ ডেনমার্কের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নেওয়ার জন্য কিছু সামরিক সদস্য গ্রিনল্যান্ডে পাঠাচ্ছে। ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইউরোপের বহু বছরের পুরনো মার্কিন নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা জোট ন্যাটোকে সংকটের মুখে ফেলেছে।

কারণ এতে ন্যাটোর সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী সদস্য অন্য দেশের ভূখণ্ড দখলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা দায়িত্বে থাকা ডেনমার্ক সতর্ক করেছে, গ্রিনল্যান্ডে কোনো আক্রমণ ন্যাটোর কার্যক্রম শেষ করে দিতে পারে।

বুধবার তারা ঘোষণা করেছে, ‘ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায়’ তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে।

 

জার্মানি, সুইডেন, ফ্রান্স এবং নরওয়ে ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে, তারা এই সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাচ্ছে। কানাডা ও ফ্রান্সও জানিয়েছে, তারা আগামী কয়েক সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে কনস্যুলেট খোলার পরিকল্পনা করছে।

ন্যাটো দেশগুলো প্রায়ই নিজেদের সেনাদের অন্য ন্যাটো দেশে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠায়।

গত কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটো সহযোগীরা আর্কটিক বৃত্তে যৌথ মহড়া বাড়ানোর চেষ্টা করছে। বর্তমানে মার্কিন বাহিনী গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমের পিটুফিক স্পেস বেসে প্রায় ১৫০ জন সেনা মোতায়েন করেছে। তবে এই সপ্তাহে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাম্প্রতিক ঘোষণার সময় এবং প্রতীকী অর্থ ন্যাটোর ভেতরে বিরল উত্তেজনার সময়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সংহতির বার্তা পাঠাচ্ছে।

 

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা নিয়ে সরাসরি কথা বলেছেন।

শুক্রবার তেলের কম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কিছু করতে যাচ্ছি, তারা চাই বা না চাই।’ প্রয়োজনে তিনি জোরপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।

 

বুধবার জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা বৃহস্পতিবার ডেনমার্কের আমন্ত্রণে অনুসন্ধানমূলক অভিযান চালানোর জন্য ১৩ জন সেনার একটি গবেষণা দলদ গ্রিনল্যান্ড পাঠাচ্ছে। এ অভিযান অন্যান্য সহযোগী দেশের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হবে।

সুইডেনও বুধবার ডেনমার্কের আমন্ত্রণে গ্রিনল্যান্ডে একটি অজ্ঞাতসংখ্যক সেনা পাঠিয়েছে।

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এক্সে জানান, সুইডেনের সেনারা অন্যান্য ন্যাটো দেশগুলোর সেনাদের সঙ্গে মিলিত হয়ে ‘অপারেশন আর্কটিক এন্ডিউরেন্স’ নামের আসন্ন মহড়ার প্রস্তুতি নেবে।

 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানান, ফ্রান্সও এই মহড়ায় অংশ নেবে। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘ফ্রান্সের প্রথম সামরিক ইউনিট ইতিমধ্যেই যাত্রা শুরু করেছে। আরও ইউনিট যোগ করবে।’ নরওয়েও গ্রিনল্যান্ডে দুইজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা পাঠাচ্ছে, নরওয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সিএনএনকে নিশ্চিত করেছেন।

ন্যাটো হলো ইউরোপের ৩০টি দেশসহ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার একটি দীর্ঘদিনের সামরিক জোট। এই জোটের মূল নীতি হলো, কোনো এক সদস্যের ওপর আক্রমণ মানে সব সদস্যের ওপর আক্রমণ। তাই যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে হুমকি বিশেষ নজরকাড়া ঘটনা, কারণ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার কারণে ন্যাটোর অংশ।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত। তিনি বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ন্যাটো কোনো দেশ অন্য ন্যাটো দেশকে আক্রমণ করবে, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।’