NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ইউরোপের বাজার দখল করছে চীনা পণ্য


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ইউরোপের বাজার দখল করছে চীনা পণ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তীব্র বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে চীন এখন তাদের কমমূল্যের পণ্য বিক্রির জন্য নতুন বাজার খুঁজছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শেইন ও টেমু -এর মতো চীনা ই-কমার্স কম্পানিগুলো ইউরোপের বাজারকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই কৌশল ইউরোপের অনেক দেশে তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে ইউরোপের বাজারে চীনা পণ্যের ঢল নেমেছে।

এসব পণ্য বিক্রি করা সবচেয়ে বড় কম্পানিগুলোর একটি হলো শেইন; যেটি স্বল্প দামে দ্রুত ফ্যাশনের জন্য পরিচিত একটি ব্র্যান্ড। গত নভেম্বর মাসে শেইন ইউরোপে তাদের প্রথম স্থায়ী স্টোর চালু করে। এটি প্যারিসের একটি জনপ্রিয় ডিপার্টমেন্ট স্টোরে অবস্থিত।

 

সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্যারিসে শেইনের স্টোর খোলার দিন পরিস্থিতি ছিল একেবারেই বিশৃঙ্খল।

বিপুল সংখ্যক মানুষ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল কেনাকাটার জন্য। আর ঠিক পাশেই ছিলেন ক্ষুব্ধ প্যারিসবাসী, যারা শেইনকে তাদের শহর থেকে বের করে দিতে চাইছিলেন।

 

পরিস্থিতি ছিল ভীষণ উত্তপ্ত। অনেক ফরাসি খুচরা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ এতে ক্ষুব্ধ হন।

কিছু ডিপার্টমেন্ট স্টোরের কর্মীরা ধর্মঘট ও বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা একদিনের জন্য কাজ বন্ধ রাখেন।

 

শুধু এই স্টোর খোলার ঘোষণাই প্যারিস ও পুরো ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মূলত, ইউরোপে সস্তা চীনা পণ্যের এই প্রবাহ খুব দ্রুত ঘটেছে। আর এর পেছনে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট কারণ।

 

যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক (ট্যারিফ) কার্যকর হওয়ার পর চীনকে এমন নতুন বাজার খুঁজতে হয়েছে, যেখানে তারা সেই বিপুল পরিমাণ পণ্য বিক্রি করতে পারে—যেগুলো আর যুক্তরাষ্ট্রে আগের মতো বিক্রি হচ্ছিল না। সেই দিক থেকে ইউরোপকে চীনের কাছে নিখুঁত বাজার বলে মনে হয়েছে।