NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

রাশিয়ার রকেটে চড়ে মহাকাশে গেল ইরানের ৩ স্যাটেলাইট


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ এএম

রাশিয়ার রকেটে চড়ে মহাকাশে গেল ইরানের ৩ স্যাটেলাইট

রাশিয়ার একটি উৎক্ষেপণযান ব্যবহার করে দেশীয়ভাবে নির্মিত তিনটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠিয়েছে ইরান। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তেহরানের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে সয়ুজ স্যাটেলাইটবাহী রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। 

এতে একাধিক পেলোডের সঙ্গে ইরানের জাফর–২, পায়া ও কাওসার স্যাটেলাইট অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার বিকেলে মাল্টি-পেলোড মিশনের অংশ হিসেবে রাশিয়ার ভস্তোচনি কসমোড্রোম থেকে এই তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। 

এ নিয়ে ইরান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সাতবার রাশিয়ার রকেট ব্যবহার করল।

উৎক্ষেপণের আগে দেওয়া বক্তব্যে মস্কোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি এই মিশনকে ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একাধিক পোস্টে জালালি বলেন, স্যাটেলাইটগুলো সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে নকশা ও নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং জ্ঞানভিত্তিক বেসরকারি কোম্পানিগুলোর যৌথ সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য এসেছে।

ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, নকশা ও নির্মাণের সব ধাপ ইরানেই সম্পন্ন হয়েছে; তবে উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়াটি রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতায় করা হয়েছে।

কাজেম জালালি বলেন, ‘এই স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে দুটি সরকারি এবং একটি বেসরকারি খাতের। আমাদের জ্ঞানভিত্তিক কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’

জাফার–২ স্যাটেলাইটটি ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নির্মিত। এটি প্রাকৃতিক সম্পদ পর্যবেক্ষণ, পরিবেশগত অবস্থা মূল্যায়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানচিত্র তৈরির জন্য তথ্য সরবরাহ করবে।

কাউসার ১.৫, আগের কাউসার ও হুদহুদ স্যাটেলাইটের উন্নত সংস্করণ, এতে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) সক্ষমতা যুক্ত করা হয়েছে। যা স্মার্ট পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার জন্য তাৎক্ষণিক তথ্য আদান–প্রদান সম্ভব করবে।

ইরানি মহাকাশ সংস্থার নির্মিত পায়া (তোলু–৩) এখন পর্যন্ত ইরানের সবচেয়ে ভারি পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট, যার ওজন প্রায় ১৫০ কিলোগ্রাম।

ইরান প্রথম ২০০৯ সালে ওমিদ (আশা) স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ অঙ্গনে প্রবেশ করে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তেহরান ধারাবাহিকভাবে তার বেসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে চলেছে।