NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ভারতে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে চায় রাশিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ এএম

ভারতে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে চায় রাশিয়া

সম্প্রতি ভারতকে ছোট মডুলার রিয়্যাক্টর (এসএমআর) এবং ভাসমান পারমাণবিক কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। ভারত সফরে এসে ভ্লাদিমির পুতিনও বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন। খবর বিবিসি’র

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দু’দেশের পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে কথা বলেন পুতিন। 

বৈঠক শেষে পুতিন এক বিবৃতিতে বলেন, রাশিয়া বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—কুদানকুলম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট—নির্মাণে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে। সেখানে ছয়টি রিয়্যাক্টর নির্মাণের পরিকল্পনার মধ্যে দুইটি ইতোমধ্যেই জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। বাকি চারটি ইউনিট নির্মাণাধীন। পুরো প্রকল্প কার্যকর হলে এটি ভারতের স্বল্পব্যয়সী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি চাহিদায় বড় অবদান রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাশিয়ার পারমাণবিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও পুতিন বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, মস্কো ও দিল্লি এখন ছোট আকারের মডুলার রিয়্যাক্টর, ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানিবহির্ভূত পারমাণবিক প্রযুক্তি—যেমন চিকিৎসাবিজ্ঞান ও কৃষিক্ষেত্রে আইসোটোপ ব্যবহার—নিয়েও আলোচনা করছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ভারতকে ‘নিরবচ্ছিন্নভাবে’ জ্বালানি সরবরাহ দিতে প্রস্তুত আছে মস্কো। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে ভারতের ওপর চাপ রয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ—জ্বালানি কেনার মাধ্যমে মস্কোকে কিয়েভের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে ভারত। এ অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে শাস্তি হিসেবে শুল্ক আরোপ করেছেন।