NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

যুদ্ধের ছায়ায় নতুন জীবনের স্বপ্ন গাজার ৫৪ দম্পতির


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১২ এএম

যুদ্ধের ছায়ায় নতুন জীবনের স্বপ্ন গাজার ৫৪ দম্পতির

দীর্ঘ দুই বছরের টানা সংঘাত, মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও আশার আলো দেখিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) একসঙ্গে ৫৪ দম্পতির গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক মানবিক সংস্থা আল ফারেস আল শাহিম এই গণবিয়ের আয়োজন করে। 

ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিতে বিবাহকে সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়। তবে চলমান যুদ্ধে গাজায় বিয়ের আয়োজন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সাম্প্রতিক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পর কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরলেও আগের মতো জমকালো অনুষ্ঠান আর সম্ভব হচ্ছে না।

ঘটনাস্থলে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপের পাশে ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত নববধূ ইমান হাসান লাওয়া এবং স্যুট পরা হিকমাত লাওয়াসহ অন্যান্য নবদম্পতিরা এই অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন। ২৭ বছর বয়সী হিকমাত লাওয়া বলেন, ‘সবকিছু সত্ত্বেও আমরা নতুন জীবন শুরু করছি। আল্লাহ চাইলে এ যুদ্ধের এখানেই ইতি ঘটবে।’

উপত্যকার মানুষজন ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়ে নবদম্পতিদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছিলেন। তবে চলমান মানবিক সংকটের কারণে উৎসবের আনন্দ আংশিকভাবে ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। উপত্যকার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দার মধ্যে অনেকেই বাস্তুচ্যুত।

 

 

 

গাজার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। খাদ্য, পানি ও আশ্রয়ের তীব্র সংকট প্রতিদিনের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। 

নবদম্পতিদের মধ্যে হিকমাত বলেন, ‘আমরা বিশ্বের অন্য সবার মতো সুখী হতে চাই। একসময় স্বপ্ন দেখতাম একটা বাড়ি, একটি চাকরি এবং স্বাভাবিক জীবন। এখন আমার স্বপ্ন শুধু একটা তাঁবু।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইমান বলেন, ‘এতো শোকের পর আনন্দ অনুভব করা খুব কঠিন। আল্লাহ চাইলে আমরা আবার সবকিছু গড়ে তুলব।’