NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পরিবারের সদস্য গ্রেফতার


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পরিবারের সদস্য গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিটের ভাতিজার মা ব্রুনা ক্যারোলিন ফেরেইরাকে গ্রেফতার করেছে। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ম্যাসাচুসেটস থেকে তাকে এই মাসের শুরুর দিকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি লুইজিয়ানার একটি ডিটেনশন সেন্টারে রয়েছেন।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায়, ফেরেইরা বি-টু পর্যটক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন এবং তা ১৯৯৯ সালের জুনে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করেন। তাকে ‘ব্যাটারি’ সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সংস্থাটি তাকে ‘অপরাধী অবৈধ ব্রাজিলিয়ান অভিবাসী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

তবে ফেরেইরার ছেলে জন্মের পর থেকেই তার বাবা মাইকেল লেভিটের কাছে বড় হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র উদ্বেগ আমার সন্তানের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা।’ 

 

 

ফেরেইরার আইনজীবী টড পোমারল্যু দাবি করেন, তিনি ডিএসিএ কর্মসূচির আওতায় বৈধভাবে অবস্থান করছিলেন এবং গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই ছিলেন। তিনি বলেন, ‘থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের ঠিক আগে হঠাৎ করেই তাকে সন্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে গ্রেফতার করা হয়। ব্রুনার কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই—এ অভিযোগের প্রমাণ আমরা চাই।’

 

 

 

 

ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসন দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ডিএইচএস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানকারী সবাইকেই নির্বাসনের আওতায় আনা হবে।’