NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

জুলাই সনদের পুরোটা নারীবর্জিত, আমি তা গ্রহণ করি না : শিরীন পারভীন


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

জুলাই সনদের পুরোটা নারীবর্জিত, আমি তা গ্রহণ করি না : শিরীন পারভীন

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হক বলেছেন, ‘জুলাই সনদের পুরো প্রক্রিয়াটা নারীবর্জিত ছিল। আমি এই সনদ গ্রহণ করি না।’

তিনি বলেন, ‘সেদিন দক্ষিণ প্লাজায় (জুলাই সনদ সইয়ের দিন) আমি উপস্থিত ছিলাম। তখনই আমি পোস্ট করেছি যে আজ আবারও সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পুরুষ শাসন কায়েম হলো।

কোনো নারীর কথা নেই, কোনো নারীকে রাখা হয়নি, কোনো নারী সংগঠনকে ডাকা হয়নি।’

 

শিরীন পারভীন হক বলেন, ‘এটি আমাদের শুধু ব্যথিতই করেনি, বরং গভীর উদ্বেগও তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতি আমাদের কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে আমার ভয় রয়েছে। তাই আপনারা যতই বাস্তবায়নের কথা ভাবুন, আমি এই সনদ গ্রহণ করি না।

এ সনদের প্রতি আমার কোনো সম্মান নেই।’

 

শনিবার (৮ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘নারীর কণ্ঠে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন রূপরেখা’ শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তি এ আলোচনাসভার আয়োজন করে।

শিরীন হক বলেন, ‘আমরা জলে ভেসে আসিনি।

আমাদের বড় বোনরা বাংলাদেশ মহিলা পরিষদে ১৯৭০ সাল থেকে সংগ্রাম করছেন আর আমরা ১৯৮৪ সাল থেকে এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। আমরা লড়াই করেছি। তাই নারীদের এভাবে উপেক্ষা করা কখনো মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের প্রতিবাদ স্পষ্ট, আমরা জুলাই সনদ গ্রহণ করি না।’

 

তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, ৫ আগস্টে আমাদের প্রত্যাশা আকাশ ছুঁয়েছিল।

যে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা রাস্তায় লড়াই করেছে, বাস্তবে কারো অঙ্গহানি হয়েছে, কেউ শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আজও অনেকেই বিভিন্ন হাসপাতালে বা বাড়িতে চিকিৎসাধীন। কিন্তু তারা কেন আন্দোলনে নেমেছিল? কারণ তারা একটি সুন্দর, ভালো এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিল।’

 

‘নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন গঠনের সময় মূল লক্ষ্য ছিল এই বাচ্চাদের লড়াইকে সামনে রেখে বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশের জন্য নারীর ভূমিকা নির্ধারণ করা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেদনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, সর্বস্তরে নারীর প্রতি বৈষম্য ও সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।’

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, ‘কমিশন চার মাস ধরে কাজ করেছে, ঢাকার বাইরে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে পরামর্শ সভা করেছে। তাদের চাহিদা, দাবি ও প্রত্যাশা সংগ্রহ করে প্রস্তাবগুলো তৈরি করা হয়েছে। কমিশন মোট ৪২৩টি প্রস্তাব করেছে, যা তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ১. অন্তর্বর্তী সরকার অস্থায়ী অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব; ২. পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের বিবেচনার জন্য প্রস্তাব এবং ৩. দীর্ঘমেয়াদি মনস্তাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের জন্য প্রস্তাব।’