NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ইরানে ৮টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে রাশিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

ইরানে ৮টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে রাশিয়া

রাশিয়ার সহযোগিতায় আটটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে যাচ্ছে ইরান।  এটি দেশের পরিচ্ছন্ন ও টেকসই জ্বালানি উৎপাদন সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার অংশ বলে ঘোষণা করেছেন  ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা (এইওআই)- এর প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি ঘোষণা করেছেন।

মোহাম্মদ ইসলামি জানান, ইরান ও রাশিয়ার সরকারের মধ্যে আটটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র যৌথভাবে নির্মাণের জন্য একটি নতুন চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই সহযোগিতার আওতায় চারটি কেন্দ্র বুশেহর অঞ্চলে এবং বাকি চারটি দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত হবে, যার সুনির্দিষ্ট অবস্থান পরবর্তীতে সরকার ঘোষণা করবে।

 

 

ইসলামির মতে, পরিকল্পনাটির লক্ষ্য— দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা, যাতে স্থিতিশীল ও পরিচ্ছন্ন পারমাণবিক জ্বালানির মাধ্যমে ইরানের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করা যায়।

তিনি আরও জানান, ইরানের উত্তর উপকূলে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ব্যাপক প্রচেষ্টার পর গোলেস্তান প্রদেশে একটি কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প শুরু হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরমাণু শক্তি সংস্থার এই প্রধান আরও বলেন, রাশিয়ার সহযোগিতায় নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নির্মাণ ইরানকে ২০ হাজার মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করবে, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি স্বনির্ভরতা ও টেকসই উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নির্দেশ করে।