NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নাসার চন্দ্রাভিযান স্থগিত


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১৭ পিএম

>
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নাসার চন্দ্রাভিযান স্থগিত

রকেটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসার মানুষকে চাঁদে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া বিষয়ক প্রকল্প আর্টেমিসের স্পেস লঞ্চ সিস্টেমের (এসএলএস) উৎক্ষেপণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬ টা ৩৩ মিনিট) এই এসএলএস রকেটটির উৎক্ষেপণের কথা ছিল।

কিন্তু উৎক্ষেপণের ঘণ্টা দুই আগে রকেটটির ইঞ্জিন থেকে জ্বালানি লিকেজ সংক্রান্ত সমস্যা শনাক্ত হওয়ার পর উৎক্ষেপণ বাতিল করে নাসা কর্তপক্ষ। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মহাকাশে যত রকেট পাঠিয়েছে নাসা, সেসবের মধ্যে এসএলএস রকেটটি সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে শক্তিশালী। রকেটটির ইঞ্জিনের আয়তনই ১০০ মিটার।

নাসার মহাকাশযান উৎক্ষেপণ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক চার্লি ব্ল্যাকওয়েল বিবিসিকে বলেন, ‘উৎক্ষেপণের দুই ঘণ্টা আগে রকেটের ইঞ্জিন থেকে জ্বালানি নিঃসরণের এই সমস্যা ধরা পড়ে। ইঞ্জিনিয়ারা এই ত্রুটি সারাতে কাজ শুরু করেছেন।’

জ্বালানির লিকেজ সংক্রান্ত ত্রুটি ছাড়া রকেটটিতে আর কোনো সমস্যা এখনও ধরা পড়েনি উল্লেখে করে ব্ল্যাকওয়েল আরও বলেন, ‘চুড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আগামী ২ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটটি।’

চাঁদে মানুষ প্রথমবারের মতো পা রাখে ১৯৬৯ সালে। নাসার অ্যাপোলো ১১ নামের একটি রকেটে করে ওই বছর চাঁদে গিয়েছিলেন তিন মার্কিন মহাকাশচারী— নীল আর্মস্ট্রং, অ্যাডউইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত আর কেউ চাঁদে গিয়েছেন— এমন রেকর্ড নেই।

সেই হিসেবে অর্ধশতাব্দি পর চাঁদে নভোচারি পাঠাতে নাসার এই উদ্যোগকে ‘নিঃসন্দেহে একটি বড় ঘটনা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে।

আর্টেমিস প্রকল্পের আওতাধীন এই রকেটটি ওরাইয়ন নামের একটি ক্যাপসুল বহন করবে। চাঁদের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর রকেটটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে ওরায়ইন, তারপর চাঁদের চারপাশে পরিভ্রমণ করবে।

চাঁদে মানব নভোচারী পাঠানোর উদ্দেশে নাসার এই আর্টেমিস প্রকল্প শুরু হলেও এই যাত্রায় কোনো মানুষ পাঠানো হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাস। যদি সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চলে পরবর্তী মিশনগুলোতে মহাকাশচারীরা যোগ দেবেন।

‘আপনি জানেন, পৃথিবীর বাইরে অন্য একটি গ্রহ বা উপগ্রহে মানুষ হেঁটে বেড়াচ্ছে—বিশ্বের অর্ধেকেরও মানুষ এখন পর্যন্ত এমন দৃশ্য দেখেননি। তাই অনেক অর্থেই এটা তাদের জন্য প্রথমবারের মত চাঁদের বুকে ভ্রমণ হবে,’ বলেছেন কেথ কাউয়িং। তিনি দ্য নাসা ওয়াচ নামে ওয়েবসাইটের সম্পাদক যেটি নাসার খবর প্রকাশ করে।