NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

গাজা গণহত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

গাজা গণহত্যায় অভিযুক্ত হয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, তিনি গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ফলে সংঘটিত গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযুক্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাই (আরএআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেলোনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।’

এ ছাড়া ইতালির প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান লিওনার্দোর প্রধান রোবের্তো চিনগোলানিকেও বিচারের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে তিনি ধারণা করেন।

এটি প্রথমবারের মতো এমন একটি ঘটনা, যেখানে ইতালির উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে আইসিসিতে অভিযুক্ত করা হলো।

এই যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর।

 

সেই তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং কয়েকটি পশ্চিমা দেশের সরাসরি সমর্থনে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় যে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, তা অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ইতালি ছিল মাত্র তিনটি দেশের একটি যারা ইসরায়েলে ‘প্রধান অস্ত্র’ রপ্তানি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি বৃহৎ অস্ত্র (যার মধ্যে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক ও বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত) রপ্তানির ৯৯ শতাংশের জন্য দায়ী ছিল।

 

গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ। এ ছাড়া ৪৫৯ জন, যার মধ্যে ১৫৪ শিশু, ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে মারা গেছে।