NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে জার্মান নাগরিকের কারাদণ্ড


খবর   প্রকাশিত:  ০১ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১০ এএম

চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে জার্মান নাগরিকের কারাদণ্ড

চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে কর্মরত এক জার্মান নাগরিককে চার বছর নয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম জিয়ান গুও। তিনি জার্মানির কট্টর-ডানপন্থি অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) দলের একজন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্যের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।

ফেডারেল প্রসিকিউটরের দপ্তরের অভিযোগ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে এপ্রিলে ২০২৪ পর্যন্ত জিয়ান গুও নিয়মিতভাবে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আলোচনার তথ্য ও সিদ্ধান্ত চীনের গোয়েন্দা সংস্থায় সরবরাহ করতেন। এছাড়া তিনি জার্মানিতে বসবাসরত চীনা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালাতেন ও এএফডি’র প্রভাবশালী নেতাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেন।

 

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন। তবে জিয়ান গুও তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ আদালতে অস্বীকার করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত গুও এএফডি’র ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ম্যাক্সিমিলিয়ান ক্রাহ’র ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিলেন। ক্রাহ আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, তিনি গুও’র কার্যকলাপ সম্পর্কে কোনো ধারণা রাখতেন না। তবে চলতি মাসেই জার্মান সংসদ ক্রাহর সাংসদীয় দায়মুক্তি প্রত্যাহার করেছে, যাতে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তদন্ত করা যায়।

 

কট্টর-ডানপন্থি এএফডি জার্মানের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে ও দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তবে দলটির নাৎসি অতীত নিয়ে বিতর্ক ও বিদেশি শক্তির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ জার্মান রাজনীতিতে তাদের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।