NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরির দাবি, আছে মস্তিষ্ক-হৃৎপিণ্ডও


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ অক্টোবর, ২০২৪, ০৭:০৮ এএম

>
বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরির দাবি, আছে মস্তিষ্ক-হৃৎপিণ্ডও

মস্তিষ্ক, স্পন্দিত হৃদযন্ত্র আর শরীরের অন্যান্য প্রত্যেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি করতে পারে এমন ব্লকসহ বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরির দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। বিশ্বে প্রথমবারের কৃত্রিম এই ভ্রূণ তৈরি করা হয়েছে ইঁদুরের স্টেম সেল থেকে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম ভ্রূণ তৈরির দাবি করা হয়েছে বলে মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডিম্বাণু অথবা শুক্রাণু ব্যবহার করার বদলে কেমব্রিজের অধ্যাপক ম্যাগডালেনা জের্নিকা-গোয়েৎজ নেতৃত্বাধীন বিজ্ঞানীদের একটি দল স্টেম সেল ব্যবহার করে কৃত্রিম ভ্রূণের মডেলটি তৈরি করেছে। যা শরীরের স্টেম সেল এবং প্রায় যেকোনো ধরনের কোষের পার্থক্য করতে পারে।

শরীরের একটি আদি কোষ হলো স্টেম সেল। সাধারণত জন্মের পর একটি কোষ থেকে সব ধরনের কোষ তৈরি হয়। মানুষের শরীরে অন্তত ২০০ রকমের কোষ রয়েছে। আর এসব কোষ নির্দিষ্ট একটি কোষ থেকে তৈরি হয়। আদি কোষকে ব্যবহার করে নতুন যেকোনো ধরনের কোষ তৈরি করা যায়।

dhakapost
 কেমব্রিজের অধ্যাপক ম্যাগডালেনা জের্নিকা-গোয়েৎজ নেতৃত্বাধীন বিজ্ঞানীদের একটি দল কৃত্রিম ভ্রূণের মডেলটি তৈরি করেছে

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজি, ডেভেলপমেন্ট ও নিউরোসায়েন্স বিভাগের ম্যামালিয়ান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড স্টেম সেল বায়োলজির অধ্যাপক ম্যাগডালেনা জের্নিকা-গোয়েৎজ।

গবেষকরা বলেছেন, আদিম স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে উপস্থিত তিন ধরনের ভিন্ন ভিন্ন স্টেম সেলকে এমন এক পর্যায়ে আনা হয়েছিল, যেগুলো গবেষণাগারে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার অনুকরণ করে মিথস্ক্রিয়া শুরু করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গবেষকরা একটি নির্দিষ্ট ধরনের জিনের উৎপাদন উসকে দেন এবং সেসবের মিথস্ক্রিয়ার জন্য বিশেষ পরিবেশ তৈরি করেন। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা স্টেম সেলগুলোকে পরস্পরের সাথে ‘মিথস্ক্রিয়ায়’ রাজি করাতে সক্ষম হন।

গবেষকদের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘আমাদের ইঁদুরের ভ্রূণের মডেল শুধুমাত্র মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়নি, বরং একটি স্পন্দিত হৃৎপিণ্ডও তৈরি করেছে। এতে এমন সব উপাদান রয়েছে যা শরীরের গঠনে ভূমিকা রাখে।’