NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

মার্কিন এইচ-১বি ভিসায় নতুন ফি, বিপাকে ভারতীয়রা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ এএম

মার্কিন এইচ-১বি ভিসায় নতুন ফি, বিপাকে ভারতীয়রা

মার্কিন এইচ-১বি ভিসা আবেদনে বছরে নতুন এক লাখ ডলারের ফি আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই ফি ভারতের প্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষ পেশাজীবীদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে শনিবার সতর্কতা দিয়েছে ভারতের আইটি শিল্পের সংগঠন নাসকম।

হোয়াইট হাউস শুক্রবার এই নতুন ফি ঘোষণার পর কয়েকটি বড় মার্কিন প্রযুক্তি কম্পানি ভিসাধারী কর্মীদের দেশে থাকতে বা দ্রুত ফিরতে পরামর্শ দিয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিসা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ।

 

নাসকম বলেছে, হঠাৎ করে এই নীতি চালু হওয়ায় ভারতীয় নাগরিকদের ওপর প্রভাব পড়বে এবং দেশটির প্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর চলমান অনশোর প্রকল্পগুলো ব্যাহত হবে।

সংগঠনটি আরো জানিয়েছে, নীতির এক দিনের সময়সীমা বিশ্বজুড়ে ব্যবসা, পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য ‘উল্লেখযোগ্য অনিশ্চয়তা’ তৈরি করেছে।

নাসকমের মতে, এই নীতি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম ও বৈশ্বিক চাকরির বাজারে ‘তরঙ্গিত প্রভাব’ তৈরি করবে এবং অতিরিক্ত ব্যয় কম্পানিগুলোকে সমন্বয় আনতে বাধ্য করবে।

মাইক্রোসফট, জেপি মরগান ও অ্যামাজন তাদের এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে বলেছে বলে রয়টার্সের হাতে থাকা অভ্যন্তরীণ ইমেইলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এই বছরের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসনে ব্যাপক দমনপীড়ন চালাচ্ছেন, যার মধ্যে কিছু বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সীমিত করার পদক্ষেপও রয়েছে।