NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

জিএসপি প্লাস সুবিধা: ফ্রান্সের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ এএম

জিএসপি প্লাস সুবিধা: ফ্রান্সের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২০২৯ সালের পরও বাংলাদেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস বাণিজ্য সুবিধা অর্জনে ফ্রান্স সমর্থন জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুই তার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে গেলে এমন আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ফ্রান্সের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সুবিধা, উন্নয়ন সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

রাষ্ট্রদূত মাসদুপুই তার মেয়াদকালে পাওয়া অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সুবিধা দেশের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে বৈশ্বিক মনোযোগ ক্রমশ কমছে। তাই এ ইস্যুটি আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালোভাবে তুলে ধরা এবং দ্রুত প্রত্যাবাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ফ্রান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।