NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

তড়িঘড়ি করলে মিয়ানমারের ফাঁদে পড়বে বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:১৩ এএম

>
তড়িঘড়ি করলে মিয়ানমারের ফাঁদে পড়বে বাংলাদেশ

নাগরিক সুবিধার সব শর্ত পূরণ হলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে চান মিয়ানমারে। তবে সেটা কতটুকু সম্ভব— জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘মিয়ানমার এ বছরই প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করবে। এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক হওয়া দরকার। মিয়ানমার চেষ্টা করবে প্রত্যাবাসন শুরু করে এটিকে ঝুলিয়ে ফেলতে। আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (আইসিজে) থেকে দুই দুটি জাজমেন্ট এসেছে রোহিঙ্গাদের পক্ষে। চূড়ান্ত জাজমেন্টও রোহিঙ্গাদের পক্ষে আসবে, তা অনুমান করা যায়, বা ভিন্ন কিছু ঘটবে না রায়ে। এর মধ্যে আমেরিকার মতো বড় দেশ তিন-সাড়ে তিন বছর গবেষণার পর জানিয়েছে, মিয়ানমার গণহত্যা চালিয়েছে। এটা কিন্তু আশার দিক।’

dhakapost

তিনি বলেন, ‘আইসিজে দ্বিতীয় জাজমেন্টে কিন্তু ইনডিপেন্ডেন্ট কমিশনের উদ্ধৃতি দিয়েছে। তারা আগেই বলেছে, গণহত্যা হয়েছে মিয়ানমারে। সে জায়গায় মিয়ানমার খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছে যে, চূড়ান্ত রায়ে জেনোসাইড ও প্রত্যাবাসনের বিষয়টি থাকবে। কিন্তু মিয়ানমার চাইবে প্রত্যাবাসনে সংখ্যা কমাতে। কীভাবে সংখ্যা কমিয়ে প্রত্যাবাসন করা যায়, সে কূটকৌশল খুঁজবে। মিয়ানমার আন্তর্জাতিক কমিউনিটিকে বোঝাতে চাইবে, তারা কিন্তু প্রত্যাবাসন শুরু করেছে। তড়িঘড়ি করে কিছু রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে চাইবে। এ বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকা দরকার।’