NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

দিনে ১০০-১৫০ ছক্কা মেরে এশিয়া কাপ প্রস্তুতি পাক ব্যাটসম্যানের


খবর   প্রকাশিত:  ২১ নভেম্বর, ২০২৪, ০৯:২৩ এএম

>
দিনে ১০০-১৫০ ছক্কা মেরে এশিয়া কাপ প্রস্তুতি পাক ব্যাটসম্যানের

গেল বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে রান তাড়ায় পাকিস্তান একটু বিপদেই পড়ে গিয়েছিল। বিশাল বিশাল সব ছক্কা মেরে পাকিস্তানকে অবশেষে মুক্তি দিয়েছিলেন আসিফ আলি। সেই আসিফ এবারও আলো কেড়ে নিতে প্রস্তুত। জানালেন, দিনে ১০০-১৫০ ছক্কা মেরে এশিয়া কাপের প্রস্তুতিটা সারছেন তিনি।

গেল বছর এই সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতেই বসেছিল টি-টোয়েন্টির বিশ্বআসর। সেই আসরে নিউজিল্যান্ড আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঝড়ের কবলে পড়া পাকিস্তানের নৌকো পার করিয়েছিলেন আসিফ আলি। শারজায় কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন ১২ বলে ২৭ রানের ইনিংস, অপরাজিত সেই ইনিংসে তিনি হাঁকিয়েছিলেন তিন ছক্কা। এরপর আফগানদের বিপক্ষেও একই পরিস্থিতি সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল তার। শেষ ২ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৪ রান। চারটা ছক্কায় এক ওভারেই খেলাটা শেষ করে দেন আসিফ।

সেই ধারাটা এবারও ধরে রাখতে মরিয়া তিনি। তাই তো এশিয়া কাপের জন্য নিয়েছেন বাড়তি প্রস্তুতি। লাহোরে দলের জাতীয় হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে অনুশীলন করেছেন পাক এই ব্যাটসম্যান। আজ মঙ্গলবার পিসিবির ভিডিওবার্তায় জানালেন সে কথা।

আসিফের ভাষ্য, ‘আমি এমন একটা জায়গায় খেলি, যেখানে প্রতি ওভারে ১০ এরও বেশি রান করে দরকার হতেই পারে। সেটার জন্যই বড় শট খেলতে হয় আমাদের। আর এজন্য দরকার প্রচুর প্রস্তুতির। অনুশীলনে আমি প্রতিদিন সাধারণত ১০০-১৫০ ছক্কা হাঁকাই, যেন ম্যাচে অন্তত ৪-৫ টা ছক্কা হলেও মারতে পারি।’

শেষ দিকে ব্যাট করতে নামলে পূর্বনির্ধারিত শট অনেকটা ব্যাটসম্যানদের মনে গেঁথেই যায়। আসিফ জানালেন, সেটা থেকেও নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন। জানালেন, সেজন্যে বলের গুণ বুঝে তবেই শট নির্বাচনে মনোযোগ দেন তিনি। বললেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে যখন ব্যাট করতে নামি, তখন সবসময় চাপ থাকে। আমি চেষ্টা করি বলের লাইন-লেন্থ বুঝে ব্যাট করার। একই শট বারবার মারার চেষ্টা করিইনা।’