NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

যে কারণে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের পুলিশে নিয়োগ দিচ্ছে ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:২৯ এএম

>
যে কারণে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের পুলিশে নিয়োগ দিচ্ছে ভারত

ভারতে এই প্রথম কোনো রাজ্য পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গ অর্থাৎ রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা। বিশেষ একটি লক্ষ্য সামনে রেখে তাদেরকে পুলিশে নিয়োগ দিয়েছে দেশটির ছত্তীশগঢ় রাজ্য সরকার। আর তা হচ্ছে মাওবাদী যোদ্ধাদের মোকাবিলা করা।

চলতি মাসের মাঝামাঝিতে তৃতীয় লিঙ্গের ৯ ব্যক্তিকে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ছত্তীশগঢ় রাজ্যের বস্তার বিভাগের সাতটি মাও অধ্যুষিত জেলায় মাওবাদীদের মোকাবিলা করার জন্য ‘বস্তার ফাইটার ফোর্স’ নামে একটি নতুন বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে স্থানীয় যুবদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

বস্তার পুলিশ বিভাগের সাতটি জেলা থেকে মোট ২ হাজার ১০০ জনকে এই বাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যেই আছেন তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জনও। এবার, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবেন তারাও। পাহাড়, বন এবং নদী-নালায় ঘুরে ঘুরে সন্ধান করতে হবে মাও ঘাঁটির।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ‘বস্তার ফাইটার ফোর্স’ নামে নতুন এই বাহিনীতে নিয়োগ পেতে নির্বাচিত প্রার্থীদের কঠিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। মাওবাদীদের মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ শারীরিক ও মানসিক দক্ষতা প্রয়োজন। আর সেটির ভিত্তিতেই এই বাহিনীর সদস্যদের বেছে নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, এই বাহিনীতে জায়গা পেতে মোট ৫৩ হাজার ৩৩৬ আগ্রহী প্রার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের, ৩৭ হাজার ৪৯৮ জন পুরুষ এবং ১৫ হাজার ৮২২ জন নারী প্রার্থী। তবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ২ হাজার ১০০ জন।