NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের ওপর নজর রাখছে রাশিয়া: ক্রেমলিন


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহের ওপর নজর রাখছে রাশিয়া: ক্রেমলিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে নতুন করে অস্ত্র সরবরাহ শুরুর ঘোষণা দেওয়ার পর রাশিয়া জানিয়েছে তারা পশ্চিমা দেশগুলোর এই কার্যকলাপ ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।

তিনি আরও জানান, ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে নতুন কোনো ফোনালাপ বর্তমানে নির্ধারিত নেই, তবে প্রয়োজন হলে দ্রুত তা আয়োজন করা সম্ভব।

 

এর আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে রাশিয়ার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং জানান যে পুতিনকে ৫০ দিনের মধ্যে শান্তিচুক্তিতে সম্মত হতে হবে, না হলে কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, আমরা সেকেন্ডারি ট্যারিফ আরোপ করবো। যারা রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের ওপরও প্রভাব পড়বে।

 

ক্রেমলিন মুখপাত্র পেসকভ বলেন, আমরা ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া এখন শান্ত থাকো এবং কাজ চালিয়ে যাও নীতি অনুসরণ করছে, যদিও ট্রাম্পের চাপ আদৌ পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধে প্ররোচিত করবে কিনা, তা অনিশ্চিত।

নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আমি প্রেসিডেন্ট হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করে দিতাম।

 

তবে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প ও পুতিনের ছয়বারের ফোনালাপ এবং রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের কয়েকটি বৈঠক সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি হয়নি।