NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায় বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার
Logo
logo

চীনের পাল্টা শুল্ক আরও বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করলেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৩৮ এএম

চীনের পাল্টা শুল্ক আরও বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করলেন ট্রাম্প

বিশ্ব বাণিজ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক সবার জন্য তিন মাসের জন্য স্থগিত করলেও আওতার বাইরে থাকছে চীন। উল্টো দেশটির সঙ্গে চলা বাণিজ্য যুদ্ধে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন ট্রাম্প। পাল্টা শুল্ক ১০৪ থেকে বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এর আগে চীনা পণ্যের ওপর মার্কিন প্রশাসন ১০৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ৮৪ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে চীন। চীনের নেতারা চলমান বাণিজ্য যুদ্ধে ‘শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার’ প্রতিশ্রুতি দেন। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির এই পাল্টা-পাল্টি পদক্ষেপে বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র হলো।

 

চীনা পণ্যে নতুন করে শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, বিশ্ব বাজারের প্রতি চীন যে অসম্মান দেখিয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিচ্ছি। এটি এখন থেকেই কার্যকর হবে। অদূর ভবিষ্যতে চীন হয়তো এটা বুঝতে সক্ষম হবে যে, তাদের অন্য দেশগুলো ও আমেরিকার ক্ষতি করার দিন শেষ হয়ে এসেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর পূর্ব আরোপিত শুল্ক আরও ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০৪ শতাংশ করার ঘোষণা দিলে বেইজিং শুল্ক বাড়িয়ে ৮৪ শতাংশ করা ছাড়াও আরও কড়া ব্যবস্থা নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি কোম্পানির ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে চীনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এসব কোম্পানিকে চীন থেকে সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহৃত পণ্য কেনা নিষিদ্ধ করা হয়। আরও ছয়টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে ‘অবিশ্বস্ত সত্তা তালিকায়’ যুক্ত করে চীনে তাদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হয়।