NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৫৯ পিএম

প্রধান উপদেষ্টাকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, আগামী মার্চ মাসে তিনি বাংলাদেশ সফরে আসছেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সম্পৃক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। সফরকালে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত কথা বলবেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, জাতিসংঘের মহাসচিব ২৫ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এ চিঠি দেন।

 

চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও লেখেন, বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের দৃঢ় সংহতি এবং ড. ইউনূসের নেতৃত্বে চলমান পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে চান তিনি।

চিঠিতে রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের ওপর সৃষ্ট প্রভাব এবং রাখাইনের মানবিক পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে ড. ইউনূসের উদ্বেগের প্রতি সহমত পোষণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। বাংলাদেশকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় করার কথাও বলেন গুতেরেস।

 

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংস্থা (আসিয়ান) এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি। মিয়ানমার সংকটের রাজনৈতিক সমাধান এবং রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবর্তনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা যায় সেটা নিয়ে কাজ করার কথাও বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

চিঠিতে রাখাইনের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা দিতে দেশটিতে কাজ করা সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

 

তিনি লেখেন, জাতিসংঘ এই ইস্যুতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করবে, যার মধ্যে রয়েছে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ, রাখাইন ও সমগ্র মিয়ানমারের ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদ ও মানবিক সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করা।

আসিয়ান সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ভূমিকা রাখবে।

আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর পরামর্শের পর সম্মেলনের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।

 

এর আগে প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকার ইস্যুবিষয়ক বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান গত ৭ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ড. ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

 

সবশেষ ২০২৩ সালে রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে ঢাকায় আসেন জাতিসংঘ মহাসচিব।