NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি


খবর ডেস্ক//   প্রকাশিত:  ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০১:০৭ এএম

>
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ একাধিক দাবিতে শোভাযাত্রা করেছে উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট প্রভাত টুডু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে আদিবাসী দিবস উপলক্ষে তার দেওয়া বাণীতে আদিবাসীদের নিজস্ব পরিচয়ে সব অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। এ উপমহাদেশে যুগের পর যুগ সাঁওতাল, কোল, মুন্ডা তুরীসহ অনেক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন বসবাস করে আসছে। ইংরেজ সরকার, ভারত সরকার, পাকিস্তান সরকার তাদের আদিবাসী হিসেবেই স্বীকার করেছে। তাদের আদিবাসী হিসেবেই পরিচয় করিয়ে নিয়েছে। অথচ বর্তমানে স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দলগুলো এ সমস্ত আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকার করতে এবং সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে অনেকটা পিছপা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম সরকারের এমন আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বিশ্ব আদিবাসী দিবসে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সাত দফা দাবি পেশ করে আদিবাসী ফোরাম। দাবিগুলো হলো

১. আদিবাসী শব্দ ব্যবহার না করার নির্দেশনা প্রত্যাহার করতে হবে।

২. আদিবাসীদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে।

৩. সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।

৪. সমতলের আদিবাসীদের পক্ষ থেকে সংসদে প্রতিনিধি নিশ্চিত করতে হবে।

৫. সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করতে হবে।

৬. উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে।

৭. যত দ্রুত সম্ভব নব নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো এবং সাঁওতালসহ অন্যান্য আদিবাসী প্রতিনিধিদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বনিফাস হেমব্রম, লাল ফিলিমন সরেন, থিওফিল হাসদা, নিকোলাস কিস্কু প্রমুখ।