NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

লন্ডনে স্টেশনের বাংলা নামে ব্রিটিশ এমপির ক্ষোভ, সমর্থন মাস্কের


খবর   প্রকাশিত:  ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৪৯ পিএম

লন্ডনে স্টেশনের বাংলা নামে ব্রিটিশ এমপির ক্ষোভ, সমর্থন মাস্কের

লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা নামের সাইনবোর্ড দেখে ক্ষোভ জানিয়েছেন গ্রেট ইয়ারমাউথের এমপি রুপার্ট লোয়ি। তিনি বলেছেন, লন্ডনে সব স্টেশনের সাইনবোর্ডে অন্য কোনো ভাষা নয়, শুধু ইংরেজি থাকা উচিত। তার এমন বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক।

২০২২ সাল থেকেই পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকার এই টিউব স্টেশনের নাম বাংলা ভাষায় লেখা। কিন্তু হঠাৎ করেই সেটা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ব্রিটিশ এমপি।

 

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ডানপন্থি রিফর্ম ইউকের সদস্য লোয়ি হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের ইংরেজি ও বাংলা নামের পাশাপাশি লাগানো দুটি সাইনবোর্ডের ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, এটা লন্ডন। এখানে স্টেশনে নাম ইংরেজিতে থাকা উচিত, কেবলই ইংরেজিতে।

তার এই পোস্ট অল্প সময়ের মধ্যেই বিতর্কের ঝড় তোলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ তাকে সমর্থন জানালেও অনেকে একাধিক ভাষায় সাইনবোর্ড রাখার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। অপরদিক সামাজিক মাধ্যম এক্স এবং টেসলার মালিক ইলন মাস্কও ‌‌‘ইয়েস’ লিখে লোয়িকে সমর্থন জানিয়েছেন।

 

২০২২ সালে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন অথরিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের নাম লেখা হয়েছিল। ভারতে ব্রিটিশ শাসনে থাকার সময় থেকেই লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল অঞ্চলে বসবাস করতে শুরু করেন বাঙালিরা। বর্তমানে এই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষই বাঙালি। ইংল্যান্ডের অধিকাংশ বাঙালিই থাকেন এই অঞ্চলে। সেখানে আগে থেকেই বহু দোকানের নাম রয়েছে বাংলা ভাষায়।

 

 

দীর্ঘদিন ধরে দাবি ছিল হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনের নাম যাতে বাংলাতেও লেখা হয়। সেই দাবি মেনে বাংলা ভাষাকে সম্মান দেওয়ার জন্য সেখানকার স্টেশনের নামে বাংলা যোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল লন্ডন প্রশাসন। এই স্টেশনের বিভিন্ন গেটের সাইনবোর্ডে বাংলা ভাষায় নাম লেখার পাশাপশি স্টেশনের প্রবেশপথেও বাংলা ভাষাতে লেখা রয়েছে, ‘হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে আপনাকে স্বাগত।’ তবে সেই বিষয়টি নিয়েই এখন বিতর্ক উসকে দিচ্ছেন এমপি রুপার্ট।