NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

বনশিল্পের যুগ্ম-সচিব সাজ্জাদুলের ৭৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ


খবর   প্রকাশিত:  ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১০:৫৪ এএম

>
বনশিল্পের যুগ্ম-সচিব সাজ্জাদুলের ৭৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ

বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব (পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. সাজ্জাদুল ইসলামের পৌনে ১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

যে কারণে তার বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলামের সুপারিশে কমিশন থেকে সোমবার (৮ আগস্ট) মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম প্রধান সাজ্জাদুল ইসলাম বর্তমানে বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে এবং অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধান পর্যায়ে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই করে ২ কোটি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৮৮ টাকার নিট সম্পদ পাওয়া যায়। যেখানে সাজ্জাদুল ইসলাম ২০০৪-০৫ কর বর্ষ থেকে ২০২০-২১ কর-বর্ষ পর্যন্ত পারিবারিক ব্যয় বাবদ ৯৫ লাখ ৯১ হাজার ২৫১ টাকা দেখিয়েছেন। নিট সম্পদের সঙ্গে পারিবারিক ব্যয় যোগ করলে মোট ২ কোটি ৯৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের হিসাব পাওয়া যায়।

সূত্র আরও জানায়, অনুসন্ধানকালে সাজ্জাদুল ইসলামের মোট ২ কোট ২২ লাখ ১৪ হাজার ৯২৮ টাকার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায়। ফলে বাকি ৭৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বলে দুদকের কাছে প্রমাণ রয়েছে। যে কারণে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।