NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

বঙ্গমাতা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের অন্যতম অনুপ্রেরণাদাত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ অক্টোবর, ২০২৪, ০৯:৪৮ এএম

>
বঙ্গমাতা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের অন্যতম অনুপ্রেরণাদাত্রী

সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার পেছনে বঙ্গমাতার রয়েছে অসাধারণ ভূমিকা। ইতিহাসে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল একজন রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণী নন, বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী।

তিনি বলেন, বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেন। বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় চেতনাকে আরও শাণিত করেন এ মহীয়সী নারী। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন- ‘রেণু আমার সব দুঃখ-কষ্ট, অভাব-অনটন, কারাবরণ হাসিমুখে মেনে নিতে না পারলে আমি বঙ্গবন্ধু হতে পারতাম না।’

সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমি আয়োজিত এক প্রকাশনা ও গ্রন্থালোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

কে এম খালিদ বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না হয়েও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি এবং ছয় দফা দাবির পক্ষে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য বঙ্গমাতা দিন-রাত পরিশ্রম করতেন।

তিনি বলেন, আন্দোলন যখন তীব্র আকার ধারণ করল, তখন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সব দলের সঙ্গে আলোচনার ডাক দিলেন। বন্দি শেখ মুজিবকে সাময়িক মুক্তি দিয়ে অর্থাৎ প্যারোলে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে আলোচনা করার উদ্যোগ  নেন। কিন্তু এ প্যারোলে মুক্তির তীব্র বিরোধিতা করলেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। বঙ্গমাতার এক কথা- মামলা প্রত্যাহার করে মুক্ত মানুষ হিসেবে শেখ মুজিব আলোচনায় যোগ দিতে পারেন- প্যারোলে নয়। অবশেষে আইয়ুব খান বাধ্য হন মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে। এমন বুদ্ধিদীপ্ত, বিচক্ষণ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বঙ্গমাতা।

বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আনোয়ারা সৈয়দ হক রচিত ‘ছোটোদের বঙ্গমাতা’ ও ‘আমার রেণু’ শীর্ষক গ্রন্থ দুটি সম্পর্কে আলোচনা করেন  যথাক্রমে সাবেক সচিব কবি আসাদ মান্নান ও বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক কবি ড. সাইমন জাকারিয়া।

সূচনা বক্তৃতা করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব এ. এইচ. এম. লোকমান। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বাংলা একাডেমি প্রকাশিত 'বঙ্গজাতিমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব : ৯২তম জন্মবার্ষিকীর শ্রদ্ধা’ শীর্ষক গ্রন্থটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন।