NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট


খবর   প্রকাশিত:  ১০ মার্চ, ২০২৫, ০৮:৩৮ এএম

স্ত্রী-শ্যালিকসহ সাবেক এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রায় ১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩১৮ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগ এনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সাবেক এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক। ওই মামলা আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। মামলার বাদী ছিলেন উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। 

 

তবে তদন্তে অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে টাকার পরিমাণ বেড়েছে। তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৮ হাজার ৩২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত অস্বাভাবিক ও সন্দেহভাজন ৩১৮ কোটি ২৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে জানা যায়। 

 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগ দখলে রাখার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।