NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

অভ্যুত্থানের পর প্রথম বিজয় দিবস : কুচকাওয়াজ নয়, হবে ‘বিজয় মেলা’


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৬:২৩ এএম

অভ্যুত্থানের পর প্রথম বিজয় দিবস : কুচকাওয়াজ নয়, হবে ‘বিজয় মেলা’

মহান বিজয় দিবসে এবার জেলা-উপজেলা পর্যায়ে হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে। এর বদলে আয়োজন করা হচ্ছে ‘বিজয় মেলা’। প্রাচীন বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ফিরিয়ে বিজয় মেলায় থাকবে চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্পপণ্য। মেলার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করবে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

 


 

সরকার বিজয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনে বরাদ্দ বাড়িয়েছে গতবারের চেয়ে তিন গুণ। গত বছর এ খাতে বরাদ্দ ছিল তিন কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এ বছর বাড়িয়ে ৯ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।

 

গতকাল বুধবার তিনি  বলেন, ‘এবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ হচ্ছে না। গত বছরও নির্বাচনের কারণে হয়নি। এ ছাড়া জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে হবে না। তবে এর বদলে হবে বিজয় মেলা।

গ্রামীণ বাংলার বিভিন্ন ঐতিহ্য নিয়ে এই মেলা হবে। এ জন্য অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।’

 


 

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান ফারুক-ই-আজম (বীরপ্রতীক)।

 

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব ইসরাত চৌধুরীর সভাপতিত্বে মহান বিজয় দিবস-২০২৪ উদযাপনসংক্রান্ত আন্ত মন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। সেখানে উপদেষ্টা জানান, এ বছর বিশেষ পরিস্থিতির কারণে কিছু কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। তবে বিজয় দিবস উদযাপনে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলা-উপজেলায় বিজয় মেলা করা যেতে পারে।


 

ওই মেলায় চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্পপণ্যের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখতে হবে। মেলায় থাকবে গ্রামীণ নানা ঐতিহ্যের সমাহার। তবে অন্যান্য বারের মতো এবারও জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর কোনো ধরনের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে হবে না। তবে প্রতিটি জেলায়-উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া আগের সব ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর মহান বিজয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিটি জেলার সদর উপজেলা ছাড়াও ৪৩২টি উপজেলায় ৭৫ হাজার টাকা করে মোট তিন কোটি ২৪ লাখ এবং প্রতিটি জেলায় এক লাখ করে ৬৪ লাখ টাকাসহ মোট তিন কোটি ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এবার সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে তিন গুণ করা হয়েছে। এবারের বিজয় দিবসের ব্যয় নির্বাহের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা বাবদ ৭৫ হাজার টাকা এবং বিজয় মেলা আয়োজন বাবদ এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সদর উপজেলা ছাড়া বাকি ৪৩৫টি উপজেলায় মোট সাত কোটি ৬১ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ ছাড় করেছে মন্ত্রণালয়।


 

এ ছাড়া প্রতিটি জেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা বাবদ এক লাখ টাকা এবং বিজয় মেলা আয়োজন বাবদ দেড় লাখ টাকা করে মোট এক কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে এ বছর মহান বিজয় দিবসের ব্যয় বাবদ মোট ৯ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছাড় করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।