NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

‘আলহামদুলিল্লাহ’, স্বামীর রায় শুনে তাহমিনা জামান


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:০৫ পিএম

‘আলহামদুলিল্লাহ’, স্বামীর রায় শুনে তাহমিনা জামান

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

স্বামীর খালাসের রায় শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর অবশেষে ন্যায় বিচার পেয়েছি।

এ কারণে মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শুকরিয়া জানাই, আলহামদুলিল্লাহ।

 

বাবরের স্ত্রী বলেন, ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় এতোদিন অপেক্ষা করা যে কী কষ্ট, তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবে। আদালত আমাদের ন্যায় বিচার দিয়েছেন।


 

দুই দশক আগে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

বিচারিক রায়ের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের আবেদন) ও দণ্ডিত কয়েক জনের আপিলে শুনানির পর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এই রায় দেন।
 
রায়ে বলা হয়েছে, আইনের ভিত্তিতে মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়নি। ফলে বিচারিক আদালতের বিচার অবৈধ। তাই বিচারিক আদালতের ডেথ রেফারেন্স নাকচ এবং আসামিদের আপিল মঞ্জুর করা হলো।

 

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, ‘অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি আবদুল হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ২৫ জন পরোক্ষ সাক্ষীর জবানবন্দির ভিত্তি করে বিচারিক আদালত এই রায় দিয়েছেন। এই ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দির একটি আরেকটিকে সমর্থন করেনি। কোনো চাক্ষুস সাক্ষী ছিল না। মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোনো প্রমাণযোগ্য বা আইনগত মূল্য নেই, কারণ জীবদ্দশায় তিনি তাঁর স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করে গেছেন। এই স্বীকারোক্তি জোর করে নেওয়া হয়েছিল দাবি করা হয়েছে।

তা ছাড়া মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তিটি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা যাথাযথ পরীক্ষা এবং গ্রহণ করা হয়নি।’