NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

ইসরায়েলি নেতাদের মৃত্যুদণ্ডের আহ্বান খামেনির


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৫৮ এএম

ইসরায়েলি নেতাদের মৃত্যুদণ্ডের আহ্বান খামেনির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সোমবার বলেছেন, ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বরং মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া উচিত। তিনি গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইরত সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও হিজবুল্লাহকে সমর্থন দিয়ে আসছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং হামাস নেতা ইব্রাহিম আল-মাসরির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর খামেনি এই মন্তব্য করলেন।

ইসরায়েলি নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে খামেনি বলেন, ‘তারা (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন, এটা যথেষ্ট নয়...এই অপরাধী নেতাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া উচিত।

 

আইসিসির বিচারকরা তাদের সিদ্ধান্তে বলেছেন, নেতানিয়াহু ও ইয়োভ গালান্ট হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ক্ষুধা ব্যবহারের মতো কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী—যা গাজার বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে একটি ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আক্রমণের’ অংশ।


 

আইসিসির সিদ্ধান্তে ইসরায়েলে ক্ষোভের জন্ম হয়। তারা একে লজ্জাজনক ও অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি তারা হেগভিত্তিক আদালতের এখতিয়ার অস্বীকার এবং গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

 অন্যদিকে গাজার বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছে, এটি সহিংসতা শেষ করতে ও যুদ্ধাপরাধের জন্য দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করতে সহায়তা করবে।

 

ইসরায়েলি নেতাদের পাশাপাশি হামাস নেতা ইব্রাহিম আল-মাসরির বিরুদ্ধে পরোয়ানায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে তার গোষ্ঠীর হামলার সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও জিম্মি করার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই হামলার পর দীর্ঘদিন অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি অঞ্চলটিতে যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল।  

ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা জুলাই মাসে একটি বিমান হামলায় মাসরিকে হত্যা করেছে, যিনি মোহাম্মদ দেইফ নামেও পরিচিত।

তবে হামাস বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার—কোনোটিই করেনি।

 

সূত্র : রয়টার্স