NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

উ. কোরিয়া ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি আইনে পরিণত


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৬:৩১ এএম

উ. কোরিয়া ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি আইনে পরিণত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষর করা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন। এমন এক সময় এ খবর এলো, যখন পিয়ংইয়ং ইউক্রেনে যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছে।

পুতিন জুন মাসে উত্তর কোরিয়ায় সফরের সময় চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু এটি কার্যকর করার জন্য রুশ পার্লামেন্টের মাধ্যমে পাস হয়ে পুতিনের স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।

ক্রেমলিন শনিবার সন্ধ্যায় তাদের ওয়েবসাইটে চুক্তি অনুমোদনকারী স্বাক্ষরিত আইনটি প্রকাশ করেছে।

 

চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা নিরাপত্তা সহযোগিতা শক্তিশালী করে। তারা কোল্ড ওয়ারের সময় কমিউনিস্ট মিত্র ছিল। উত্তর কোরিয়া ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে সমর্থনকারী গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

 

 

চুক্তিটিতে দুই দেশের যেকোনো একটিতে আক্রমণ হলে ‘কোনো বিলম্ব ছাড়া’ একে অপরকে সামরিক সহায়তা প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করার পাশাপাশি জাতিসংঘে অবস্থান সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে। পুতিন জুনে এ চুক্তিকে ‘একটি যুগান্তকারী দলিল’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।


 

এদিকে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন ও পশ্চিমারা দাবি করছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য উত্তর কোরিয়া প্রায় ১০ হাজার সেনা রাশিয়ায় পাঠিয়েছে। গত মাসে এই সেনা মোতায়েনের বিষয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন করা হলে পুতিন তা অস্বীকার করেননি।

বরং ইউক্রেনকে পশ্চিমাদেশগুলোর সমর্থনের সমালোচনা করে প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

 

সূত্র : এএফপি