NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প? বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী
Logo
logo

স্থবির অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বড় প্রণোদনা কর্মসূচি চীনের


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০৮:৩১ এএম

স্থবির অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বড় প্রণোদনা কর্মসূচি চীনের

বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর সবচেয়ে বড় প্রণোদনা কর্মসূচিতে হাত দিচ্ছে চীন। স্থবির অর্থনীতিকে আবার চাঙ্গা করতে সরকারি ঋণ প্রদানকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। ঘোষণায় বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার, নিম্ন আয়ের নাগরিক, আবাসন খাত ও রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মূলধনকে সহযোগিতা করতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সরকারি ঋণ বাড়ানো হবে। ২০০৭-২০০৮ বৈশ্বিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার পর এই প্রথম এত বড় প্রণোদনা কর্মসূচি দিল দেশটি।

 

চীনের অর্থমন্ত্রী ল্যান ফোয়ান শনিবার জানান, দেশটির অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আগামী তিন মাসে ২.৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ানের বিশেষ বন্ড ইস্যু করা হবে। বেইজিংয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী তিন মাসে বিশেষ বন্ড তহবিলের মোট ২.৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বিভিন্ন খাতে ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থা করা হতে পারে।’

ল্যান আরো জানান, স্থানীয় সরকারগুলোর ক্ষেত্রে ঋণের পরিধি কমানো হবে। তাদের জন্য অবকাঠামো ও কর্মসংস্থান সুরক্ষায় তহবিল বাড়ানো হবে।

 

চীনা অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা অতিরিক্ত ট্রেজারি বন্ডের ব্যবহার বাড়াচ্ছি এবং অতি-দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বন্ডের ব্যবহারের সুযোগও তৈরি করা হচ্ছে।’

কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব পলিটব্যুরোর সেপ্টেম্বরে বৈঠকের পর চীনে আর্থিক প্রণোদনার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার শুরু হয়। আবাসন খাতে তীব্র মন্দা ও ভোক্তাদের আস্থাহীনতার কারণে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে এমন এক সময় রপ্তানির ওপর অত্যধিক নির্ভরতা বাড়ছে, যখন বৈশ্বিক বাণিজ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।

অর্থনৈতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীন সরকারের এ বছর প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।