NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ২৪, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাত ডিজিটাইজেশনে পিছিয়ে : মোস্তাফা জব্বার


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:৫০ এএম

>
শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাত ডিজিটাইজেশনে পিছিয়ে : মোস্তাফা জব্বার

দেশের বিভিন্ন খাত ডিজিটাইজেশনে এগিয়ে গেলেও স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত এখনও বেশ পিছিয়ে রয়েছে বলে মনে করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আমরা অনেকখানি এগিয়ে গেছি। স্বাস্থ্যখাতে এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। তবে এটা একেবারেই কম। সমাজসেবাও ডিজিটাইজেশনের পথে পিছিয়ে। তবে, সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে শিক্ষাখাত। এই খাতগুলোকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও বেশি ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে।

রোববার (২৯ মে) বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় স্বাস্থ্য সেবার যে প্রযুক্তিগুলো রয়েছে সেখানে ফোরজি সেবা খুবই কার্যকরী। আমাদের মতো দেশে যেখানে এখনো তৃণমূল পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছাতে পারিনি। সে জায়গাতে এ প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের সেই সেবা দিতে পারি।’

দেশে ৫জি চালু হলেও এখন পর্যন্ত ফোরজি সেবাই মানুষ ঠিকমতো পাচ্ছে না মন্তব্য করে মন্ত্রী জব্বার বলেন, আমরা ৫জি পর্যন্ত গেছি। এটা পলিসিগত দিক থেকে আমরা হয়তো করেছি। কিন্তু এখনো ফোরজি ঠিক মতো হয়নি। আমাদের ফোরজি কার্যকর করতে হবে। আমাদের জন্য সুখবর। পৃথিবীতে এখন এ প্রযুক্তি আছে, ফোরজি অবকাঠামোতে কিছু ছোটখাট যন্ত্রপাতি যোগ করলেও তাতে ৫জি সুবিধ পাওয়া যাবে। তবে, অপারেটরদের বলবো আপনারা ফোরজি অবকাঠামো বিস্তার করেন। পরে প্রয়োজন বুঝে যখন যেখানে সেখানে যন্ত্রপাতি সংযোজন করে ৫জি সেবা দিতে পারবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, থ্রিজি থেকে ফোরজি সেবার রূপান্তরে প্রধান সমস্যা পুরো ডিভাইস আপডেট করতে হয়। ফাইভ জির ক্ষেত্রে সেটা হয় না। তাই ফোরজি ও ৫জির চাহিদা নিরুপণ করতে হবে। যখন যেখানে যে সেবা দরকার সেখানে সেই ধরনের সেবা দেবেন।

মন্ত্রী বলেন, বয়োবৃদ্ধদের সেবায়ও এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রসার হচ্ছে। এটি আরও বিস্তৃতি করতে হবে। এখন দেখা যায়, ছেলে মেয়ে বিদেশি থাকে, বাবা-মা দেশে। তারা বাসায় আইপিও ক্যামেরা বসিয়ে দিয়েছেন। তা দিয়ে দেশে বাবা-মার খেয়াল রাখতে পারছে। যখন যে সেবা প্রয়োজন তা ছেলে-মেয়েরা দিতে পারছেন।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ১৭ মে পালন করার কথা থাকলেও তা রোববার পালন করা হয়। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যসম্মত বার্ধক্যের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি’।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সৌদি টেলিকমিনিকেশনকে ৬শ জিবিপিএস দিচ্ছি। এটা আমার কাছেও বিস্মিত। আমরা আরও পাঁচশর মতো জিবিপিএস দিতে পারবো। আমাদের কাছে আসামও চেয়েছে।

আগামীতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-৩ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্যও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্যাম সুন্দর সিকদার।