NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ নভেম্বর, ২০২৩, ০৯:১০ পিএম

ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেয়ার পর ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সমাবেশের কারণে শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি হওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি সত্যিই ভীষণভাবে লজ্জিত। আশা করি, আপনারা ক্ষমা করবেন।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু অলিম্পিয়াড ও শিক্ষাঙ্গন ডটকমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্ষমা চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনুষ্ঠান না করার আহ্বান জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত, সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর দক্ষিণখানের চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এসএম মোজাম্মেল হক শিক্ষা কমপ্লেক্সের মাঠে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

এই অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল সাজানো এবং ব্যানার পোস্টার টানানোর কারণে ওই দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

এরপর বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। দীপু মনি বলেন, সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় আমরা বলেছি, আমাদের খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, এখন খেলার মাঠ বলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে মাঠ সেগুলো। আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক, ধর্মীয়- যেকোনো অনুষ্ঠান করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহার করি। আমাদের একটা নির্দেশনা আছে, শিক্ষা-সংক্রান্ত অনুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে করেন। ‌আমি আসলে খুবই বিব্রত। আমি গত পরশু ঢাকায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গেছি। আমি চলে আসার পর জেনেছি যে, আশপাশে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ওই মাঠ ব্যবহার করে। সেখানে রাজনৈতিক সমাবেশটি হয়েছে। পরে আমি খোঁজ নিলে আমাকে বলা হলো, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে। যদিও বলা হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে, আসলে কতটা চলেছে সেটা আমি জানি না। ওখানে যখন প্যান্ডেল করা হয়েছে তখন শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে নির্বিঘ্নে হয়েছে এটা মনে করার কোনও কারণ নেই। সে কারণে আমি সত্যিই ভীষণভাবে লজ্জিত।

শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি করে প্রতিষ্ঠানের মাঠে সমাবেশ না করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি। সেখানে বেশ কয়েকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে সেই জনসভাটি হয়েছে। আমি জানি না ওখানে বিকল্প কোনও মাঠ ছিল কি না। যদি না থাকে যারা এ ধরনের অনুষ্ঠান করেন সেটি কোনও রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান হোক, যদি কোনও বিকল্প থাকে বিকল্প জায়গায় করা, আর যদি বিকল্প না থাকে তাহলে যেন শিক্ষা কার্যক্রম কোনোভাবে ব্যাহত না হয় অথবা ছুটির দিনে করা হয়।

দীপু মনি বলেন, সবার কাছে আহ্বান করব, যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়, তাহলে যেন ছুটির দিনে করা হয় এবং ওই প্রাঙ্গণ নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার নিশ্চয়তা বিধান করেই যেন করা হয়।