NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

ইরানে পুলিশি হেফাজতে বন্দির মৃত্যু : কমান্ডার বরখাস্ত


খবর   প্রকাশিত:  ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০১:৩৯ এএম

ইরানে পুলিশি হেফাজতে বন্দির মৃত্যু : কমান্ডার বরখাস্ত

ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ গিলানের একটি শহরের পুলিশ কমান্ডারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে এক বন্দির মৃত্যুর পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা প্রকাশির এক বিবৃতিতে পুলিশ জানিয়েছে, লাহিজান শহরে মারামারিতে জড়িত থাকায় ২২ জুলাই মোহাম্মদ মীর মুসাভিকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

 

পুলিশ বলেছে, কর্মীদের আচরণ ও ব্যবহারের অপর্যাপ্ত তদারকির কারণে পুলিশ কমান্ডারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি জটিল, তাই মোহাম্মদ মীর মুসাভির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেডিক্যাল পরীক্ষকের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে।

এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্টেশন কমান্ডার ও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে। পাশাপাশি বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘আইন প্রয়োগকারী কিছু কর্মকর্তার আচরণ পুলিশের পেশাদার নীতির বিরুদ্ধে ছিল এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তাই তাদের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

 

নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও বুধবার বলেছিল, মীর মুসাভি ‘আটককেন্দ্রে নির্যাতনের কারণে নিহত হয়েছেন’। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পরে বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তের নির্দেশ দেন।

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বরখাস্তের ঘটনা বিরল।

এর আগে ২০২২ সালে পুলিশি হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যু হয়েছিল। ২২ বছর বয়সী এই ইরানি কুর্দি নারী তেহরানে নারীদের জন্য দেশটির কঠোর পোষাক নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর কয়েক মাস ধরে দেশব্যাপী বিক্ষোভ চলে।