NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

সাড়ে ১০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ মে, ২০২৪, ০৮:৪২ এএম

সাড়ে ১০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীকে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য

অ্যাসাইলাম বা আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হওয়া বাংলাদেশিদের দ্রুতই দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। এরই মধ্যে এ বিষয়ে ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তিতে সম্মত হয়েছে লন্ডন ও ঢাকা। এই চুক্তির আওতাতেই অ্যাসাইলাম আবেদন প্রত্যাখান হওয়া প্রায় সাড়ে ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে লন্ডনে যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র বিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তিতে সম্মত হয়। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) এই তথ্য জানায় যুক্তরাজ্যের অভিবাসন , নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় হোম অফিস।

 

হোম অফিস বলছে, ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থী বিদেশি নাগরিক ও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাজ্যে থেকে যাওয়া ব্যক্তিদের শিগগিরই নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। আর ব্রিটিশ ভিসা ব্যবস্থার সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করা জাতির মধ্যে বাংলাদেশিরা অন্যতম। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান।

হোম অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন ভিসা নিয়ে ব্রিটেনে প্রবেশ করেছে শুধু স্থায়ীভাবে থাকার জন্য ও তারা ১২ মাসের মধ্যেই আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন। তাদের মধ্যে যেসব শিক্ষার্থী পড়ালেখা শেষ না করেই স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে আবেদন করেছেন এবং ওয়ার্কার ও ভিজিটর ভিসায় গিয়ে যারা আশ্রয় চেয়েছেন, তাদের আবেদন প্রত্যাখান করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশিদের প্রাথমিক আশ্রয় আবেদনের ৫ শতাংশ সফল হয়েছে।

 

যুক্তরাজ্যের অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধমন্ত্রী টমলিনসন বলেন, আশ্রয়পার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আমাদের পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের দ্রুত ফেরত পাঠানো। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আমাদের মূল্যবান অংশীদার।

‘এটা চমৎকার যে আমরা বাংলাদেশে সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করছি। তাদের সঙ্গে আমাদের যে ফাস্ট ট্র্যাক রিটার্ন চুক্তি হচ্ছে, তার আওতায় শুধু ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীই নয়, অপরাধীও যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদেরও ফেরত পাঠানো সহজ হবে।’

গত মাসে প্রকাশ্যে আসা ব্রিটিশ হোম অফিসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত রেকর্ড ২১ হাজার ৫২৫ জন ভিসাধারী যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। যা আগের বছরের তুলনায় ১৫৪ শতাংশ বেশি। এর মানে, যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়ে প্রবেশ করা প্রতি ১৪০ জনের মধ্যে একজন দেশটিতে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন।

 

ভিসা নিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর আশ্রয় আবেদনকারীদের মধ্যে সবার ওপরে রয়েছে পাকিস্তানিরা। পাকিস্তানের প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ জন নাগরিক দেশটিতে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এরপরই রয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি আশ্রয় আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার।

 

অন্যদিকে, ভারতের ৭ হাজার ৪০০ জন, নাইজেরিয়ার ৬ হাজার ৬০০ জন ও আফগানিস্তানের ৬ হাজার জন আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন। গত বছর যুক্তরাজ্যে থাকার অধিকার নেই এমন ২৬ হাজার বিদেশি নাগরিককে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বেশি।