NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

চট্টগ্রামকে বিদায় করে বরিশালের অপেক্ষা


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ০১:০৬ এএম

চট্টগ্রামকে বিদায় করে বরিশালের অপেক্ষা

হারলেই বিদায়-এই সমীকরণ মাথায় নিয়েই এলিমিনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশাল ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স খেলতে নেমেছিল। বরিশালের কাছে সাত উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে চট্টগ্রাম। ফাইনালের পথে বরিশালকে অবশ্য আরো একটি বাধা অতিক্রম করতে হবে। আজ সন্ধ্যায় প্রথম কোয়ালিফায়ারে রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের মধ্যে যে দল হারবে, আগামী পরশু তাদের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মাঠে নামবে বরিশাল।

 

চট্টগ্রামের দেওয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই অবশ্য সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় বরিশাল। শুভাগত হোম চৌধুরির বলে উইকেটকিপার ইমরানউজ্জামানের হাতে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন সৌম্য। তবে দ্বিতীয় উইকেটে কাইল মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন তামিম ইকবাল।

ফিফটি পূর্ণ করে মায়ার্স যখন ফিরেন, বরিশালের স্কোরবোর্ডে তখন দলীয় শতক পূর্ণ হয়েছে।

২৬ বলের ইনিংসে ৫ ছক্কা ও ৩টি চার মেরেছেন এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। এরমধ্যে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শুভাগতর এক ওভার থেকেই ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৬ রান নিয়েছেন মায়ার্স। তামিমের সঙ্গে তাঁর জুটি থেকে বরিশাল পায় ৯৮ রান। এরপর ডেভিড মিলারের সঙ্গে তামিমের ২৫ রানের জুটি জয়ের পথ সুগম করে দেয়।
রোমারিও শেফার্ডের বলে ১৭ রান করে আউট হন মিলার। মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ম্যাচের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সারেন তামিম। বরিশাল অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৫২ রানে।

 

এর আগে ব্যাটিংয়ে অবশ্য সুবিধা করতে পারেনি চট্টগ্রাম। প্রথম ধাক্কাটা দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

দারুণ ফর্মে থাকা তানজিদ হাসান তামিমকে ফেরান মাত্র দুই রানে। তিনে নেমে ছন্দ পাননি উইকেটকিপার ব্যাটার ইমরানউজ্জামান। ১৩ বল খেলে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে স্রেফ সাত রান।

 

ইমরানের আউটের আগে তামিম ইকবালের ক্যাচ মিসে বেঁচে যান জশ ব্রাউন। কিন্তু ২১ রানে জীবন পাওয়া ব্রাউন সেটা কাজে লাগাতে পারলেন কই? ব্যক্তিগত ৩৪ রানে তাঁকে ফিরিয়ে বরিশাল দলে স্বস্তি ফেরান ওবেদ ম্যাককয়। শুধু কি বরিশাল? হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন তামিম নিজেও। ডেভিড মিলার ক্যাচটা নেওয়ার পর তামিমের অভিব্যক্তিতেই সেটা পরিষ্কার।

চট্টগ্রামের সংগ্রহ বড় না হওয়ার দায় এড়াতে পারেন না টম ব্রুস, সৈকত আলি, শুভাগত হোম চৌধুরী ও রোমারিং শেফার্ড। চারজনই ইনিংস ভালোভাবে শুরু করেছিলেন। কিন্তু পূর্ণতা দিতে পারেননি। ব্রুস ১৭, সৈকত ১১, শুভাগত ২৪, শেফার্ড ১১ রানে আউট হয়েছেন। বরিশালের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন কাইল মায়ার্স, সাইফউদ্দিন ও ম্যাককয়। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম ও জেমস ফুলার।